Donald Trump: এলন মাস্কের অনুমতিতে ট্যুইটারে ফিরতে চলেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

সম্প্রতি এক অনলাইন ভোটের ফলাফলের ভিত্তিতে এলন মাস্ক রবিবার জানিয়েছেন, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে মাইক্রো-ব্লগিং প্ল্যাটফর্মে পুনরায় যোগদানের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
এলন মাস্ক এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প
এলন মাস্ক এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প ফাইল ছবি ডেকান হেরাল্ডের সৌজন্যে

এলন মাস্ক ট্যুইটারের দায়িত্ব নেবার পরেই ট্যুইটারে ফিরতে চলেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সম্প্রতি এক অনলাইন ভোটের ফলাফলের ভিত্তিতে এলন মাস্ক রবিবার জানিয়েছেন, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে মাইক্রো-ব্লগিং প্ল্যাটফর্মে পুনরায় যোগদানের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

মাস্ক ট্যুইট করে জানিয়েছেন: "মানুষ এই বিষয়ে কথা বলেছে। ট্রাম্পকে পুনর্বহাল করা হবে।" এরপর তিনি লিখেছেন, "ভক্স পপুলি, ভক্স দেই", যার অর্থ "মানুষের কণ্ঠ ঈশ্বরের কণ্ঠস্বর"।

বেশ কিছু ট্যুইটার ব্যবহারকারী মাস্কের এই সিদ্ধান্তে তাঁদের মতামত প্রকাশ করেছেন। একজন ব্যবহারকারী জিজ্ঞাসা করেছেন: "আমি বলছি না যে আমি এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে, তবে কাউন্সিলের বৈঠকের আগে কোনও বড় অ্যাকাউন্ট পুনঃস্থাপনের কী হয়েছিল?"

এলন মাস্ক এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প
Truth Social: বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া থেকে নিষিদ্ধ, তাই নিজেই নতুন অ্যাপ আনছেন ট্রাম্প
এলন মাস্ক এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প
ভোটে হেরেও ক্ষমতা ধরে রাখতে ভোটিং মেশিন 'বাজেয়াপ্ত' করার নির্দেশ দিয়েছিলেন ট্রাম্প - রিপোর্ট

এর উত্তরে মাস্ক জানান, "টুইটার ব্যাপকভাবে বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে একটি বিষয়বস্তু মডারেশন কাউন্সিল গঠন করবে। কাউন্সিলের বৈঠকের আগে কোনও বড় বিষয়বস্তুর সিদ্ধান্ত বা অ্যাকাউন্ট পুনঃস্থাপন ঘটবে না।"

অন্য এক ট্যুইটার ব্যবহারকারী জানিয়েছেন: "আমি ভেবেছিলাম একটি বিশেষ কমিটির দ্বারা এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, কোনো ভোট করে নয়।"

শনিবার মাস্ক তার ১১৭ মিলিয়ন অনুসারীদের মধ্যে কতজন ট্রাম্পকে প্ল্যাটফর্মে পুনর্বহাল করার পদক্ষেপকে সমর্থন বা প্রত্যাখ্যান করেছেন তা জানতে এক অনলাইন ভোট করেন।

ট্যুইটারের নতুন সিইও জানিয়েছেন অনলাইন এই ভোটে প্রতি ঘন্টায় ১ মিলিয়ন ভোট পড়েছে।

মাস্ক ট্যুইট করে জানিয়েছেন, "টুইটার ট্রাম্পের ভোট দেখতে বেশ ভালো লেগেছে। বট আক্রমণটি দেখতে চিত্তাকর্ষক।"

উল্লেখ্য, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে হার মেনে নিতে না পেরে ট্রাম্পের সর্মথকরা ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি ক্যাপিটাল বিল্ডিং-এ তাণ্ডব চালায়। ট্রাম্প নিজেও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভোটের ফল নিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন। তারপরই টুইটার ও ফেসবুকে তাঁর অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড করে দেওয়া হয়। কারণ হিসাবে জানানো হয়, ট্রাম্পের পোস্টে হিংসায় উস্কানি দেওয়া হচ্ছিল। তাঁর অ্যাকাউন্ট এখনও বন্ধই রয়েছে। এরপর তিনি ট্যুইটার সহ একাধিক সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধান্ত নেন।

ওই সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির বেডমিনস্টারে নিজের গলফ ক্লাবে ট্রাম্প জানান, ‘টেক জায়ান্ট ফেসবুক, গুগল, টুইটারের বিরুদ্ধে আমি মামলা দায়ের করতে চলেছি। এই তিন সংস্থা এবং তাদের সিইও মার্ক জুকারবার্গ, সুন্দর পিচাই ও জ্যাক ডোরসির বিরুদ্ধে মামলা করব।’

এলন মাস্ক এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প
Donald Trump: ফ্লোরিডার বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে FBI - অভিযোগ ডোনাল্ড ট্রাম্পের
এলন মাস্ক এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প
ট্রাম্পের ৩৬ ঘণ্টা ভারত সফরে শুধু থাকা-খাওয়ায় ৩৮ লক্ষ টাকা ব্যয় করেছে মোদী সরকার, জানালো RTI

GOOGLE NEWS-এ আমাদের ফলো করুন

Related Stories

No stories found.
People's Reporter
www.peoplesreporter.in