

বাংলাদেশে নির্বাচন পরবর্তী সময়েও পরিস্থিতি কী হতে চলেছে তা নিয়ে আশঙ্কায় সে দেশের রাজনৈতিক মহল। সূচি অনুসারে, আজ মঙ্গলবারই নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন প্রাপ্ত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল, বিএনপি-র মন্ত্রীসভার শপথগ্রহণ। যদিও শপথগ্রহণের প্রাক্কালে জামায়াতে ইসলামী এবং জাতীয় নাগরিক দল (এনসিপি) হুঁশিয়ারিতে সে দেশের রাজনৈতিক মহলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এনসিপি এবং তাদের সহযোগী জামায়েত শপথগ্রহণের আগেই জানিয়ে দিয়েছে, জুলাই সনদের সাথে সম্পর্কিত বিষয় সহ শপথগ্রহণ না করা হলে তারা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখাবে। এই দুই দলের পক্ষ থেকেই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান বয়কট করার কথা জানানো হয়েছে।
জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ নির্বাচনে ২১২ আসনে বিএনপি এবং জোট সঙ্গীরা জয়লাভ করেছে। অন্যদিকে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পেয়েছে ৬২ শতাংশ। গণভোটে জুলাই সনদে ১৮০ দিনের জন্য সংসদকে একটি গণপরিষদে রূপান্তরিত করার কথা বলা হয়েছে। সেই সময় জুলাই সনদে বিএনপি স্বাক্ষর করলেও তখন থেকেই বিএনপি-র একাধিক নেতা বলেছিলেন সনদের বেশ কিছু বিষয়ে তাদের আপত্তি আছে। এই সনদ তৈরির সময় তাদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়নি বলেও তারা জানিয়েছিলেন।
এদিনই বিএনপি-র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের সাংসদরা সংবিধান সংস্কার কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে শপথ নেবেন না, যার লক্ষ্য জুলাই সনদের গণভোট থেকে পরিবর্তনগুলি অন্তর্ভুক্ত করে বাংলাদেশের সংবিধান পরিবর্তন করা। তারেক রহমানের উপস্থিতিতে দলের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছেন প্রবীণ বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন আহমেদ।
বিএনপির প্রার্থীরা সাংসদ হিসেবে শপথ নিলেও গণপরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। যার ফলে জামায়াত ও এনসিপি সরাসরি ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।
এই প্রসঙ্গে জামায়াত এবং এনসিপি-র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিএনপির সাংসদরা সাংবিধানিক সংস্কার কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে শপথ না নিলে, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা কোনও শপথ নেবে না।
প্রথম আলোতে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন অনুসারে, মঙ্গলবার সকালে দলের উপ-প্রধান সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের জানিয়েছেন, জামায়াত সদস্যদের দুপুরে শপথ নেওয়ার কথা ছিল এবং তারা জাতীয় সংসদ ভবনে পৌঁছাবেন। তবে, যদি তারা দেখেন যে বিএনপির সংসদ সদস্যরা সাংবিধানিক সংস্কার কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে শপথ নিচ্ছেন না, তাহলে তারা কোনও শপথ গ্রহণ থেকে বিরত থাকবেন। জামায়াতের বক্তব্য, তাদের নেতারা বিশ্বাস করেন যে “সংস্কার ছাড়া সংসদ অর্থহীন।”
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন