সাংবাদিক সম্মেলনে রাহুল গান্ধী
সাংবাদিক সম্মেলনে রাহুল গান্ধী ছবি আইএনসি ট্যুইটার হ্যান্ডেলের সৌজন্যে

দলিত-আদিবাসীরাই দেশের প্রধান মালিক, BJP এদের অধিকার কেড়ে নিচ্ছে, অভিযোগ রাহুল গান্ধীর

রাহুল গান্ধী বলেন, 'বিজেপি আপনাদের 'বনবাসী' বলে ডাকে। তারা এটা কখনও বলে না যে, আপনারা ভারতের প্রথম মালিক। তারা চান না আপনার সন্তানরা ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার হোক, প্লেন চালাতে শিখুক, ইংরেজি জানুক।'
Published on

ভারত জোড়ো যাত্রার ৭৫ দিনে, গুজরাটের কৃষক, যুবক এবং আদিবাসীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাঁদের সমস্যার কথা শুনলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। একইসঙ্গে, ভোটমুখি গুজরাটে পা রেখে কেন্দ্র ও রাজ্যে ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকারকে নিশানা করেছেন তিনি।

সোমবার, সুরাট জেলার মহুয়াতে এক জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাহুল বলেন, দেশের আসল মালিক হলেন কৃষক, দলিত এবং আদিবাসীরা। কিন্তু, বিজেপি সরকার তাঁদের সেই অধিকার কেড়ে নেওয়ার জন্য কাজ করছে।

গুজরাটে প্রথম নির্বাচনী সমাবেশে রাহুল গান্ধী বলেন, 'তারা (বিজেপি) আপনাদের 'বনবাসী' বলে ডাকে। তারা এটা কখনও বলে না যে, আপনারা ভারতের প্রথম মালিক। কারণ, আপনারা জঙ্গলে থাকেন। আপনারা কি পার্থক্য দেখতে পাচ্ছেন? এর মানে, তারা চায় না আপনারা শহরে বাস করুন। তারা চান না আপনার সন্তানরা ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার হোক, প্লেন চালাতে শিখুক, ইংরেজি জানুক।'

এরপরেই তিনি বলেন, 'তারা চায় আপনারা জঙ্গলেই থাকুন। কিন্তু, এখানেই তারা (বিজেপি) থেমে থাকবে না। এরপর ওরা (বিজেপি) আপনার কাছ থেকে জঙ্গল কেড়ে নিতে শুরু করবে। এভাবে আগামী ৫-১০ বছরের মধ্যে সব জঙ্গল দুই-তিনজন শিল্পপতির হাতে চলে যাবে। এরপর, আপনার থাকার জায়গা থাকবে না, এবং শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং চাকরি পাবেন না আপনি।

এদিন রাহুল গান্ধী দাবি করেন, কংগ্রেসের এই 'ভারত জোড় যাত্রা' দেশের ঐক্যের জন্য। আর, তিনি কৃষক, যুবক এবং আদিবাসী সম্প্রদায়ের লোকদের সমস্যার কথা শুনে তাদের ব্যথা অনুভব করতে পারছেন।

প্রসঙ্গত, ১৮২ আসনের গুজরাটে দু'দফায় বিধানসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম দফা হবে ১ ডিসেম্বর এবং দ্বিতীয় দফা হবে ৫ ডিসেম্বর। আর, ভোট গণনা হবে ৮ ডিসেম্বর।

সাংবাদিক সম্মেলনে রাহুল গান্ধী
ক্ষেতমজুরের দৈনিক মজুরিতে বাংলা ১৩ নম্বরে, ৭২৬ টাকা মজুরি দিয়ে শীর্ষে কেরল
সাংবাদিক সম্মেলনে রাহুল গান্ধী
Lay Off: ১০ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত গুগলের মূল সংস্থা অ্যালফাবেটের

SUPPORT PEOPLE'S REPORTER

ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন

logo
People's Reporter
www.peoplesreporter.in