

"রেড বুক ডে" লাল বই দিবস— ব্যাপারটা কারো কারো নতুন মনে হতে পারে। ১৮৪৮ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি, কার্ল মার্কস এবং ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস বিশ্বের শ্রমজীবী মানুষের মুক্তিপথের দিকনির্দেশকারী দলিল "কমিউনিস্ট ইশতেহার" প্রকাশ করেছিলেন। সেজন্য দিনটি বিশ্বের তাবৎ সাম্যবাদীরা খুবই গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন। তাঁরা ইস্তেহার'কে লাল বই মানেন। কমিউনিস্ট ইস্তেহার - আধুনিক বিশ্বে সর্বাধিক পঠিত বইগুলির অন্যতম হিসেবে পরিগণিত হয়েছে। মানব ইতিহাসের সবচেয়ে প্রভাবশালী গ্রন্থগুলির মধ্যে অন্যতম গ্রন্থ হিসেবে স্বীকৃত হয়েছে। বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ দেড় শতকেরও বেশি সময় ধরে নিজেদের রুটি রুজি, পরনের কাপড় আর মাথা গোঁজার ঠাঁই খোঁজার চেষ্টায় রাস্তা খুঁজেছেন এই বইয়ের পাতায় পাতায় বছরের পর বছর। সেজন্য ১৭৭ বছর আগে ইস্তেহার প্রকাশের দিনটি স্মরণ করে সারা বিশ্বের সাম্যবাদী লেখক, সাহিত্যিক, সংগঠকবৃন্দ বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে "লাল বই দিবস" পালনের আহ্বান জানান।
ইউরোপে রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে মহাদেশব্যাপী বিদ্রোহের ঠিক পূর্বে কার্ল মার্কস এবং ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস ইশতেহারটি প্রকাশ করেছিলেন। ফ্রান্সে বিদ্রোহের উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে প্রতিবিপ্লব ধ্বংস করে দিলেও ইতিবাচক প্রভাবগুলি তাঁরা অনুধাবন করেন, ইস্তেহারে বিষয়টি উল্লেখ করেন। পুঁজিবাদী উৎপাদন ব্যবস্থার আকৃতি এবং তার মূল্যায়ন বক্তব্যে গতি সঞ্চার করে, ফলশ্রুতিতে মার্কস এবং এঙ্গেলস উপসংহারে বলতে পারেন, 'আমাদের জয় করার জন্য রয়েছে সমগ্র পৃথিবী'।
দেড় শতকের বেশি সময় পরে সেকথা শাশ্বত হিসেবে মনে করেন বিশ্বের নিপীড়িত বঞ্চিত মানুষ। এমনকি সাম্যবাদী দর্শনে যাঁরা আস্থা রাখেন না, বইটি তাঁদের কাছেও অন্যতম আতঙ্কের কারণ। প্রতিটি মহাদেশে তাই এখন লাল বই দিবস পালিত হয়। ধারণাটি কেবল ইশতেহার প্রকাশের বর্ষপূর্তির যান্ত্রিক উদযাপনের জন্য নয়— বিগত কয়েক দশক ধরে বিশ্বজুড়ে অতি-দক্ষিণপন্থী সমর্থকদের দ্বারা বামপন্থী লেখক, প্রকাশক, পরিবেশক এবং বই বিক্রেতাদের প্রতি ঘৃণ্য আক্রমণের প্রতিবাদ স্বরূপ গর্জে উঠেছে।
মার্কসবাদ এবং যুক্তিবাদী চিন্তাভাবনার বিরুদ্ধে, অতি-দক্ষিণপন্থীরা অস্পষ্ট অবৈজ্ঞানিক ধারণা, মানবতার বিরুদ্ধবাদী চিন্তাভাবনা চাপিয়ে চারদিকে ষড়যন্ত্রের জাল বিছিয়ে শ্রমজীবী মানুষকে নবতর ধারায় শোষণ পীড়ন চালাচ্ছে— তা থেকে উত্তরণের পথ বাতলেছে এই কর্মসূচি।
২০১৯ সালে ভারতের "ইন্ডিয়ান সোসাইটি অফ লেফট পাবলিশার্স" এই লাল বই প্রকাশের দিনটি উদযাপনের সম্ভাব্যতা নিয়ে প্রাথমিক ভাবনাচিন্তা শুরু করেছিলেন। যেহেতু একুশে ফেব্রুয়ারি দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস— সাম্রাজ্যবাদী ক্রীড়নকদের দ্বারা নিহত ভাষা শহীদদের স্মরণ করার দিন, প্রাথমিকভাবে তাঁরা স্থির করেন লেখক, প্রকাশকসহ বই বিক্রেতাদের সঙ্গে পাঠকরাও যদি কোথাও সমবেত হয়ে এইদিনে কমিউনিস্ট ইশতেহার আপন আপন মাতৃভাষায় পাঠ করেন, তাহলে বিষয়টির যথোচিত উদযাপন এবং সঠিক অনুধাবন সম্ভব হবে। ২০২০ সালে গড়ে ওঠা আন্তর্জাতিক বামপন্থী প্রকাশকদের ইউনিয়ন, International Union of Left Publishers (IULP) কমিউনিস্ট ইস্তেহারের সঙ্গে মাতৃভাষার মেলবন্ধনের সূত্রে বিশ্বজুড়ে প্রথম আহ্বান জানায়।
ভারতীয় সাম্যবাদী চিন্তকদের প্রাথমিক ধারণাটি কোভিড মহামারীর ব্যাঘাত সত্ত্বেও দেশ বিদেশের বিভিন্ন প্রান্তে উদযাপিত হয়। ২১শে ফেব্রুয়ারি দেশ বিদেশের শ্রমজীবীদের কাছে আপন আপন মাতৃভাষায় কমিউনিস্ট ইশতেহার পাঠের আহ্বান ভিন্ন মাত্রা পায়। দেখা যায় এটি কেবল ইস্তেহার পাঠ্যের প্রতি আনুগত্য নয়, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রতিও শ্রদ্ধাঞ্জলি রূপে রূপান্তরিত হয়েছে। ফলে পুঁজিবাদী মতাদর্শের বিপরীতে সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর এবং সমাজতান্ত্রিক চিন্তাধারা তুলে ধরার বিষয়টিও নতুন মাত্রা পেয়েছে। খুব কম সময়ে এই কর্মসূচি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়েছে। শুধু ইশতেহার পাঠের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে কর্মসূচিটি সামগ্রিকভাবে মানব সভ্যতার ইতিহাসকে জানা, মানুষের জীবনকে বোঝা, বিশ্বের অক্ষশক্তির ভারসাম্যের অবক্ষয়কে বোঝা এবং বামপন্থী সংস্কৃতিকে চারিয়ে দেওয়ার জন্য শ্রমজীবী মানুষের মননে জায়গা করে নিয়েছে। ভারতের শ্রমজীবীরাও মনে করেছেন কর্মসূচিটি অত্যন্ত সময়োপযোগী এবং প্রয়োজনীয়।
২০২৪ সালে কেরালায় এই দিনটিতে ৪০,০০০ জায়গায় পাঁচ লক্ষ মানুষ সমবেত হয়েছিলেন ইএমএস নাম্বুদিরিপাদের লেখা "ভারতীয় প্রেক্ষাপটে লেনিনবাদ" বইটি পাঠ করে আলোচনা করার জন্য। সবচেয়ে বড় অনুষ্ঠানটি হয়েছিল ত্রিবান্দ্রমে। কেরালা জুড়ে এদিনে ইশতেহারের সমসাময়িক প্রাসঙ্গিকতার বিষয়টি আলোচিত হয়। কর্ণাটকে, ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী)-র সাধারণ সম্পাদক, পলিট ব্যুরোর সদস্য এম এ বেবি লেনিন এবং সংস্কৃতির উপর বক্তব্য রাখেন। অন্ধ্রপ্রদেশ-তেলেঙ্গানার শ্রমিক, কৃষক, যুবরা লেনিনের জীবন এবং তাঁর রচনা নিয়ে আলোচনা করেন। মহারাষ্ট্রে গোদাবরী পারুলেকর শীর্ষক একটি ওয়েবিনার অনুষ্ঠিত হয়। আসামে ছাত্র-যুবরা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস অনুষ্ঠানের সঙ্গে যৌথভাবে 'লাল বই দিবস'টি উদযাপন করে। হায়দ্রাবাদ কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি ও বিদেশী ভাষা বিভাগের ছাত্রছাত্রীরা পোস্টার প্রদর্শনীর মাধ্যমে বই উৎসবের আয়োজন করেছিল। দিল্লির স্টুডিও সফদারে, ইশতেহারটি বিভিন্ন ভারতীয় এবং ইউরোপীয় ভাষায় পাঠ করা হয়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি 'জন নাট্য মঞ্চ' পথনাটক প্রদর্শন করে এবং বিভিন্ন ভারতীয় ভাষায় ইশতেহার পাঠের আয়োজন করে। পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ুতে লক্ষ লক্ষ মানুষ মার্ক্সবাদী দার্শনিক আইজাজ আহমেদ এবং ইতিহাসবিদ, লেখক, সাংবাদিক বিজয় প্রসাদের লেখা "দ্য পলিটিক্যাল মার্কস" বইটির বাংলা এবং তামিল সংস্করণ পাঠে মনোযোগ দেন।
বিগত ২০২৪ সালে লাল বই দিবস ইন্দোনেশিয়ায় শুরু হয়ে শেষ হয়েছিল চিলিতে। বিশ্বজুড়ে দশ লক্ষেরও বেশি মানুষ দিনটি উদযাপন করেছিলেন। ইন্দোনেশিয়া এবং পূর্ব তিমুরে সমাজতান্ত্রিক সংগঠনগুলি জনসাধারণের সহযোগিতায় নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল। কিউবার হাভানায় বইমেলা থাকায় সেখানে দিনটি বিশেষ মর্যাদায় পালিত হয়। পড়ুয়ারা কমিউনিস্ট ইশতেহারটি পড়ার জন্য একত্রিত হয়। ঘানার সমাজতান্ত্রিক সংগঠন এবং ব্রাজিলের ভূমিহীন শ্রমিক সংগঠন (এমএসটি) তাঁদের বসতিগুলিতে ইস্তেহার পাঠের অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অস্ট্রেলিয়ায় লাল পিঁপড়া সংগঠন এবং বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টি 'লাল বই' পাঠের আয়োজন করেছিল। এমনকি নেপালের কমিউনিস্ট পার্টির কৃষক সংগঠনগুলি হিমালয় পাহাড়ের কোলের গ্রামগুলিতে ছোট ছোট সভা করে ইস্তেহার পাঠের পাশাপাশি পুঁজিবাদ সৃষ্ট ক্ষুধা, নিরক্ষরতা, দারিদ্র্যতা ইত্যাদি স্থবির সমস্যাগুলি নিরসনে সমাধানের রাস্তা খুঁজেছেন। নিউ ইয়র্ক সিটিতে সমবেত মানুষ কমিউনিস্ট ক্লডিয়া জোন্সের জীবন এবং লেখা সম্পর্কে আলোচনা করেন। চিলিতে সালভাদোর অ্যালান্দের বক্তৃতা পড়া হয়। দক্ষিণ আফ্রিকার মানুষ সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলির উচ্চারিত 'মানবাধিকার' ধারণাটির বিষয়ে আলোচনা করেন। সমস্ত অনুষ্ঠানগুলির কিছু অনলাইনে সম্প্রচারিত হওয়ায় ব্যাপক মানুষ সোশ্যাল মিডিয়ায় বিষয়টি শেয়ার করার সুযোগ ব্যবহার করেন।এছাড়াও দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ভেনেজুয়েলা পর্যন্ত বিভিন্ন দেশের মানুষ নিজস্ব ভাষায় ইশতেহার পাঠে অংশ নেন। দক্ষিণ আফ্রিকায় সেসোথো এবং ইনকানি বুকস, ব্রাজিলের এক্সপ্রেসও পপুলার, আর্জেন্টিনার বাতাল্লা দে আইডিয়াস প্রকাশনা সংস্থা দিনটি পালন করে। বিশ্বব্যাপী এই দিনটিতে কমিউনিস্ট পার্টির সংগঠকরা দক্ষিণপন্থী আক্রমণের মোকাবিলায় ইশতেহার প্রকাশের অতীত দিনের প্রেক্ষিতের সঙ্গে বর্তমান এবং ভবিষ্যত রূপরেখার অন্বেষণে কমিউনিস্ট ইস্তেহার কিভাবে জনগণের চোখে আলোর দিশারী হতে পারে সেবিষয়ে আলোচনা করেন।
"ট্রাইকন্টিনেন্টাল: ইনস্টিটিউট ফর সোশ্যাল রিসার্চ" হল গ্লোবাল সাউথের গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলির একটি আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক। আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, ভারত এবং দক্ষিণ আফ্রিকায় এঁদের ইনস্টিটিউট ছাড়াও বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় আঞ্চলিক অফিস রয়েছে। "গ্রহ বাঁচানোর পরিকল্পনা" তাদেরই একটি আন্তর্জাতিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে কয়েক ডজন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের একটি নেটওয়ার্ক তৈরির সফল প্রয়াস। ৪০টিরও বেশি প্রকাশক নিয়ে গঠিত এই জোটের প্রধান কাজ হলো ২১ ফেব্রুয়ারি "রেড বুকস ডে" বা লাল বই দিবস পালন করা এবং কপিলেফ্ট পদ্ধতিতে সাম্যবাদী সাহিত্যের প্রচার। প্রকৃতপক্ষে লাল বই দিবস হল 'লাল বই' লেখার, প্রকাশ করার এবং পড়ার অধিকার রক্ষার এবং যুক্তিসঙ্গতভাবে প্রতিষ্ঠিত অস্পষ্ট ধারণার বিরুদ্ধে লড়াই করার সাংস্কৃতিক সংগ্রামের বিস্তৃত প্রকল্পের অংশ। কপিলেফ্ট পদ্ধতি হলো কপিরাইটের বিপরীত অভিমুখ। কপিরাইট যেখানে ব্যবহার সীমিত করে, কপিলেফ্ট ব্যবহারকারীদের স্বাধীনতা নিশ্চিত করে। পুনঃব্যবহার, সংশোধন, বিনির্মাণ ও পুনর্বণ্টন সম্ভবপর মূল ভাবনার বিষয়টি বামপন্থী পুস্তক রচনা, পাঠ, চর্চা, পাঠক তৈরি এবং প্রগতিশীল মতাদর্শের প্রচারে সম্মিলিত করে— এঁরা নবতর বই প্রকাশের সম্ভাবনা রূপায়িত করেন লাল বই দিবসকে কেন্দ্র করে। উদ্দেশ্য বাজার-চালিত বইয়ের বাজারের বাইরে গিয়ে বামপন্থী সাহিত্য, মার্কসবাদী তত্ত্ব এবং সামাজিক আন্দোলনের বইয়ের প্রচার বৃদ্ধি এবং দেশবিদেশের বামপন্থী লেখক, প্রকাশক, বুকশপ এবং পাঠকদের একটি সেতুবন্ধন মঞ্চে হাজির করা। প্রগতিশীল চিন্তাধারার প্রসার ও সংহতিতে উচ্চ একাডেমিক জ্ঞান ও উৎকর্ষতা দিয়ে এঁরা অত্যন্ত খোলামেলা দৃষ্টিভঙ্গিতে সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনা, বিতর্ক ও গবেষণাকে উদ্দীপিত করেন যাতে, জনগণের ইতিবাচক চিন্তা ভাবনাগুলি রূপায়িত করার জন্য রাজনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলনের মধ্যে একটি সেতু নির্মাণ সম্ভব হয়।
২০২০ সালে কোভিড মহামারির বিভীষিকার সময়ে একুশে ফেব্রুয়ারির দিনে প্রথম বিষয়টির সূচনা হয়েছিল। অল্প সময়ের মধ্যেই কর্মসূচিটি আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক বাতাবরণে প্রতিরোধ এবং সংহতি পালনের দিন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। সমস্ত রকম শোষণ বঞ্চনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের বার্তা দেওয়া, জন-সংস্কৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। যুক্তিবাদী এবং সমাজতান্ত্রিক ধারণাগুলিকে সামাজিক ধারণা হিসাবে প্রতিষ্ঠা করার সম্ভাবনা জাগরূক হয়েছে। অনুমান এই দশকের শেষে, সারা বিশ্বে দশ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ রেড বুক দিবসে অংশগ্রহণ করবেন। ইতিমধ্যে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন জায়গায় দিনটিতে শ্রমজীবী মানুষ সমবেত হয়ে নিজেদের মাতৃভাষায় কমিউনিস্ট ইশতেহার পাঠ করে, সাম্যবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন। এই বছর ২১শে ফেব্রুয়ারি দিনটি কমিউনিস্ট ইশতেহার প্রকাশের ১৭৮তম বার্ষিকী। বিশ্বজুড়ে সাম্যবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ অসংখ্য মানুষ দক্ষিণপন্থীদের আক্রমণের মোকাবিলায় প্রতিনিয়ত শহিদ হচ্ছেন, তাঁদের সঙ্গে একইদিনে ভাষা দিবসের শহিদদের প্রতি সংহতি প্রকাশের দিন। শুধুমাত্র বই মেলা, পথনাটক, গান বা আলোচনায় সীমাবদ্ধ না হয়ে, লাল বই দিবস হয়ে উঠছে প্রতিনিয়ত দক্ষিণপন্থীদের আক্রমণের প্রতিরোধে প্রতিবাদের প্রকৃত জ্বলন্ত মশাল। লাল বই যে জনগণের আসল পথনির্দেশ।
তথ্য কৃতজ্ঞতা:
লাল বই দিবস ২০২৪: নীতিশ নারায়ণন, সুধন্ব দেশপান্ডে, বিজয় প্রসাদ। পিপলস ডেমোক্রাসি, ০৩ মার্চ, ২০২৪।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন