আদানি গোষ্ঠীর স্পনসর করা পুরস্কার প্রত্যাখ্যান দলিত মহিলা কবির

দলতি কবি জানান, আমি একদিন আগে জানতে পারি যে ওই পুরস্কারের স্পনসর আদানি গোষ্ঠী। আমি নিজে একটি দর্শন বা আদর্শ মেনে চলি। এত বিতর্ক জেনেও যদি আমি পুরস্কার গ্রহণ করি তাহলে আমার দর্শনকে অপমান করা হবে।
আদানি এবং সুকিরথারানি
আদানি এবং সুকিরথারানিগ্রাফিক্স - সুমিত্রা নন্দন
Published on

পুরস্কারের স্পনসর আদানি গোষ্ঠী। তাই পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করলেন তামিলনাড়ুর দলিত মহিলা কবি সুকিরথারানি। তাঁর দাবি, তিনি একটি আদর্শে বিশ্বাস করেন। তাই যদি এই পুরস্কার গ্রহণ করেন তাহলে সেই আদর্শের অসম্মান হবে।

এই মুহূর্তে দেশের রাজনীতিতে সবথেকে চর্চিত বিষয় আদানি গোষ্ঠী, যার কর্ণধার হলেন গৌতম আদানি। এবার ওই গোষ্ঠীর স্পনসর করা 'দেবী' পুরস্কার প্রত্যাখান করলেন তামিল কবি সুকিরথারানি। পুরস্কার প্রত্যাখানের কারণ হিসেবে তিনি জানান, "আমাকে নির্বাচন করার জন্য ধন্যবাদ। কিন্তু এই পুরস্কার আমি নিতে পারব না। আমি একদিন আগে জানতে পারি যে ওই পুরস্কারের স্পনসর আদানি গোষ্ঠী। আমি নিজে একটি দর্শন বা আদর্শ মেনে চলি। এত বিতর্ক জেনেও যদি আমি পুরস্কার গ্রহণ করি তাহলে আমার দর্শনকে অপমান করা হবে।"

সুকিরথারানি মূলত তামিল ভাষাতেই কবিতা লেখেন। তিনি তাঁর লেখায় দলিত নারীদের জীবন সংগ্রামের কথা ফুটিয়ে তোলেন। সেগুলি ইংরেজী, কন্নড়, হিন্দি, মালায়ালাম এবং জার্মান ভাষাতে অনূদিত করা হয়। তাঁর ছয়টি কবিতার সংকলন হল - কামাত্থিপু, কাইপাত্রি ইয়েন কানাভু কেল, থেনদাপদথা মুথাম, ইরাভু মিরুগাম, আভালাই মোজিপেয়ারথাল এবং ইপ্পাদিক্কু ইভাল। তাঁর ঝুলিতে অসংখ্য পুরস্কার রয়েছে। থেভামগাল কবিথুভি পুরস্কার, পুথুমাইপিত্তন মেমোরিয়াল অ্যাওয়ার্ড এবং পেঙ্গল মুন্নানির উইমেনস অ্যাচিভার অ্যাওয়ার্ড পান তিনি।

উল্লেখ্য, গত ৮ ফেব্রুয়ারি 'দেবী' পুরস্কার প্রদানের অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়। সারা ভারতের বিভিন্ন রাজ্য থেকে পুরস্কার প্রাপকদের নির্বাচন করা হয়। অনুষ্ঠানের আয়োজক ছিল জনপ্রিয় একটি ইংরেজি দৈনিক।

আদানি এবং সুকিরথারানি
দেশের প্রথম দলিত অভিনেত্রীকে Doodle-এ সম্মান Google-এর, জেনে নিন কে তিনি
আদানি এবং সুকিরথারানি
রাজ্যের ইতিহাসে এই প্রথম, Mid-Day Meal প্রকল্পের হিসাব খতিয়ে দেখতে বাংলায় আসছে CAG

SUPPORT PEOPLE'S REPORTER

ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন

logo
People's Reporter
www.peoplesreporter.in