

হিমাচল প্রদেশের মান্ডির বিজেপি সাংসদ কঙ্গনা রানাওয়াতের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানালেন পতঞ্জলি খ্যাত রামদেব। সম্প্রতি জেন-জি-র আন্দোলনের সময় তাঁদের প্রতি কঙ্গনার আক্রমণাত্মক মন্তব্যের জন্য তিনি এই দাবি জানিয়েছেন। বিজেপি সাংসদের ওই মন্তব্য ঘিরে তুমুল বিতর্ক শুরু হওয়ার পরে তিনি পরবর্তী সময়ে এক বিবৃতি দিয়ে জেন-জি-র প্রশংসা করেছিলেন।
চলতি বছরের স্বাধীনতা দিবসের দিন থেকে হঠাৎ করে জেন-জি-র প্রশংসা এবং তাঁদের আন্দোলনের বিষয়ে সহমত পোষণ করেন রামদেব। তাঁর ওইদিনের কথায় দেশের বর্তমান বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে কিছুটা সমালোচনার সুর ছিল। তাঁর বক্তব্যে ব্যবস্থা বদলের কথাও উঠে আসে। এবার বিজেপি সাংসদ কঙ্গনার সরাসরি বিরোধিতা করে রামদেব জানালেন, দেশের যুবসমাজকে ‘আবর্জনা’ বলা আসলে নোংরা মনের পরিচয়। আমি এই ধরণের মানুষদের নিয়ে কোনও কথা বলতে চাই না।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে রামদেবকে কঙ্গনার মন্তব্য নিয়ে প্রশ্ন করার পরেই তিনি বিজেপি সাংসদের অতীত এবং তাঁর যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। নাম না করে বিজেপি নেতৃত্বকে কঙ্গনার মন্তব্যের দিকে নজর দেবারও পরামর্শ দেন। অতীতে বহুবার কঙ্গনার মুখে রামদেবের যোগের প্রশংসা শোনা গিয়েছে। সেই প্রসঙ্গে রামদেব বলেন, কেউ আমার যোগের প্রশংসা করছে বলেই কি তাঁর পাপকাজ আমি এড়িয়ে যাবো?
সাম্প্রতিক সময়ে দেশের যুব সমাজকে নিয়ে একাধিক আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন বিজেপি সাংসদ কঙ্গনা রানাওয়াত। তাঁর সেসব মন্তব্যকে ঘিরে তীব্র বিতর্কও হয়েছে। তবুও মাঝে মাঝেই তিনি বিতর্কিত মন্তব্য করে থাকেন। যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন চলাকালীন আন্দোলনরত পড়ুয়াদের ‘গাটার জেনারেশন’ বা ‘নর্দমার প্রজন্ম’ বলে সমালোচনা করেছিলেন বিজেপি সাংসদ কঙ্গনা রানাওয়াত। হিমাচল প্রদেশের মান্ডির সাংসদের সেই বক্তব্য নিয়ে তুমুল বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। তিনি আরও বলেন, “ওরা যেভাবে কথা বলছে এবং যে ধরনের ভাষা ব্যবহার করছে, আমার জীবনে কখনও প্রতিটি ফ্রেমে সবকিছু একসাথে এত কুরুচিপূর্ণ এবং এত অমার্জিত দেখিনি। ছিঃ, এদের জন্ম দিচ্ছে আর বড় করছে কে?
যদিও গত ৭ আগস্ট শুক্রবার সংসদ চত্বরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে কঙ্গনা রানাওয়াত আরএসএস প্রধানের সুরেই জানান, ‘জেন-জি-রা আমাদের দেশের শক্তি এবং আমাদের জাতির জন্য বিরাট সম্পদ। জেন-জি আমাদের দেশের শক্তি। আমরা অত্যন্ত আনন্দিত যে আমাদের যুবসমাজ দ্রুত আমাদের সংস্কৃতি ও পরিচয়ের দূত হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে।’
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন