Zubeen Garg: সিঙ্গাপুরে দুর্ঘটনায় জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী জুবিন গর্গ প্রয়াত
সিঙ্গাপুরে স্কুবা ডাইভিং করতে গিয়ে মৃত্যু হল জনপ্রিয় গায়ক জুবিন গর্গের। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৫২ বছর। সঙ্গীত জগতে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
একাধিক সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, শুক্রবার সিঙ্গাপুরে স্কুবা ডাইভিং করছিলেন জুবিন। তখনই দুর্ঘটনাটি ঘটে। দ্রুত তাঁকে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আইসিউতে ভর্তি করা হয় বলে জানা যায়। কিন্তু সেখানেই মারা যান তিনি।
জুবিন নর্থ ইস্ট ফেস্টিভ্যালের জন্য সিঙ্গাপুরে গিয়েছিলেন। ২০ ও ২১ তারিখ তাঁর পারফর্ম করার কথা ছিল।
জুবিনের জন্ম ১৯৭২ সালে মেঘালয়ের তুরাতে, অসমীয়া ব্রাহ্মণ পরিবারে। তামুলপুর বিদ্যালয় থেকে তিনি ম্যাটট্রিক পাশ করেন। B. Borooah College থেকে বিএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে গান নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার কারণে কলেজ ছেড়ে দেন। ছোটো থেকেই নিজের মায়ের কাছে গান শিখতেন তিনি।
১৯৯২ সালে গানে ওয়েস্টার্ন সোলো পারফর্ম করে তিনি গোল্ড মেডেল পান। পরে অসমীয়া অ্যালবাম অনামিকার মাধ্যমে তাঁর পেশাদার সঙ্গীত জগতে আত্মপ্রকাশ ঘটে। অ্যালবামটি বেরিয়েছিল ১৯৯২ সালের নভেম্বর মাসে। জুবিনের প্রথম রেকর্ড করা গান ছিল "তুমি জুনু পারিবা হুন"। এছাড়া তাঁর অন্যান্য অ্যালবামগুলির মধ্যে জনপ্রিয় ছিল জুনাকি মন, মায়া, আশা ইত্যাদি।
১৯৯৫ সালে তিনি মুম্বই যান বলিউডে গান গাওয়ার জন্য। সেখানে প্রথম ইন্ডিপপ অ্যালবাম চাঁদনী রাতে আত্মপ্রকাশ করেন। পরে, তিনি কয়েকটি হিন্দি অ্যালবাম এবং রিমিক্স গান রেকর্ড করেন যেমন চন্দা (১৯৯৬), শ্রদ্ধাঞ্জলি ভলিউম: ১, ২, ৩ (১৯৯৬-৯৭), জলওয়া (১৯৯৮), ইউহি কাভি (১৯৯৮), জাদু (১৯৯৯) ইত্যাদি। তবে বলিউডে গ্যাংস্টার সিনেমায় তাঁর গাওয়া 'ইয়া আলি' গানটি জুবিনকে গোটা দেশে পরিচিতি এনে দিয়েছিল। এই গানের জন্য সেরা প্লে-ব্যাক সিঙ্গার হিসেবে গ্লোবাল ইন্ডিয়ান ফিল্ম অ্যাওয়ার্ডস পান।
বলিউডের পাশাপাশি একাধিক বাংলা সিনেমাতে গান গেয়েছিলেন তিনি। যার মধ্যে অন্যতম হল দেব-কোয়েল অভিনীত 'মন মানে না' সিনেমার টাইটেল ট্র্যাক 'মন মানে না'। চিরদিনই তুমি যে আমার সিনেমার 'পিয়া রে পিয়া রে', বলো না তুমি আমার সিনেমার 'আয়না মন ভাঙা আয়না' গানটিও অত্যন্ত জনপ্রিয়।
SUPPORT PEOPLE'S REPORTER
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন

