আমি মধুবালার মতো দেখতে ছিলাম - প্রবীণ অভিনেত্রীর সাথে নিজের তুলনা টেনে ফের বিতর্কে কঙ্গনা

কঙ্গনা বলেন, যেহেতু লোকেরা চায় আমি পর্দায় সিনেমা দেবী মধুবালার চরিত্রে অভিনয় করি তাই এই ছবির কোলাজ দেওয়া, আমি যখন নিজের ক্যারিয়ার শুরু করেছিলাম তখন আমি মধুবালার ছোট বেলার প্রতিরূপ ছিলাম।
কঙ্গনা রানাওয়াত
কঙ্গনা রানাওয়াতফাইল ছবি সংগৃহীত
Published on

ফের বিতর্কের শিরোনামে বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াত। এবার নিজেকে প্রবীণ অভিনেত্রী মধুবালার সাথে তুলনা করলেন তিনি। কঙ্গনার সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট দেখে কার্যত অবাক নেটিজেনরা।

কঙ্গনা নিজের সোশ্যাল মিডিয়াতে অভিনেত্রী মধুবালার সাথে তাঁর নিজের ছবির একাধিক কোলাজ শেয়ার করেছেন। একটি পোস্টে তিনি লেখেন, "যেহেতু লোকেরা চায় আমি পর্দায় সিনেমার দেবী মধুবালার চরিত্রে অভিনয় করি, তাই এই ছবির কোলাজ দেওয়া। আমি যখন নিজের ক্যারিয়ার শুরু করেছিলাম তখন আমি মধুবালার ছোট বেলার প্রতিরূপ ছিলাম, যদিও এখন আমি নিশ্চিত নই এই সম্পর্কে।"

পাশাপাশি নিজের আরও একটি ছবি দিয়ে তিনি লেখেন, 'হায় ভগবান! ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে এটা আমার প্রথম বছর'। ছবিতে কঙ্গনাকে ফিল্ম ফেয়ার অ্যাওয়ার্ড হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। কিন্তু তাঁর 'মধুবালার মতোই দেখতে ছিলাম' দাবি নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন উঠতে শুরু করেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। অনেকেই তাঁর এই দাবিকে কটাক্ষ করেছেন।

বিতর্কিত সেই পোস্ট
বিতর্কিত সেই পোস্টছবি - সংগৃহীত

উল্লেখ্য, মধুবালা ছিলেন ভারতীয় চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় একজন অভিনেত্রী। তাঁর জন্ম ১৯৩৩ সালে। মাত্র ৩৬ বছর বয়সেই মারা যান এই অভিনেত্রী। ২০ বছরের বেশি সময় ধরে তিনি সিনেমা জগতের সাথে যুক্ত ছিলেন। ওই সময়ের মধ্যে ৬০টির বেশি সিনেমা করেছিলেন।

মধুবালার খ্যাতি ছড়িয়ে পড়েছিল মুঘল-ই-আজম ছবির মাধ্যমে। এছাড়া তাঁর অভিনীত অন্যান্য সিনেমাগুলির মধ্যে বর্ষাত কি রাত (১৯৬০), কালা পানি, হাওড়া ব্রিজ, হাফ টিকিট, মিস্টার অ্যান্ড মিসেস ৫৫, চালতি কা নাম গাড়ি, মহল উল্লেখযোগ্য।

কঙ্গনা রানাওয়াত
২৬/১১-র হামলাকারীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে! পাকিস্তানের মাটিতেই বিস্ফোরক জাভেদ আখতার
কঙ্গনা রানাওয়াত
Recruitment Scam: কুন্তলের মুখে এবার নতুন 'দলপতি' হৈমন্তীর নাম, তিনি কে?

SUPPORT PEOPLE'S REPORTER

ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন

logo
People's Reporter
www.peoplesreporter.in