হয় ভারতেই খেলতে হবে, নাহলে বাংলাদেশের বদলে অন্য কোনও দেশকে সুযোগ দেওয়া হবে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। বুধবার আইসিসি-র বৈঠকে একথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশে। ভারতে না খেলার সিদ্ধান্তে অনড় থাকায় এদিন আইসিসি-তে ভোটাভুটি হয়। ভোটাভুটিতে অধিকাংশ দেশই বাংলাদেশের বিপক্ষে ভোট দেয়। ফলে ভারতে এসে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ ছাড়া আপাতত বাংলাদেশের সামনে কোনও বিকল্প খোলা নেই।
যদিও এদিন বৈঠকের শেষে ভারতে এসে খেলার বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানাননি বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম। জানা গেছে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানাবে বিসিবি। যে সিদ্ধান্ত আইসিসিকে জানাতে হবে বৃহস্পতিবারের মধ্যে। এদিনের ভার্চুয়াল বৈঠকে আইসিসি-র সভাপতি জয় শাহ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সিইও সংযোগ গুপ্তা। এছাড়াও ছিলেন পাকিস্তান, ভারত, শ্রীলঙ্কা, অস্ট্রেলিয়া, জিম্বাবোয়ে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, আয়ারল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, ইংল্যান্ড, আফগানিস্তান ও বাংলাদেশের প্রতিনিধি।
ভারত বাংলাদেশ সাম্প্রতিক বিতর্কের জেরে আইপিএল থেকে বাংলাদেশের ক্রিকেটার মুস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেবার পরেই ভারতে এসে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিতে অস্বীকার করে বাংলাদেশ। পরিবর্তে তৃতীয় কোনও দেশে গিয়ে খেলার আবেদন করা হয়। আবেদন করা হয় গ্রুপ বদলেরও। যদিও প্রথম থেকেই এই বিষয়ে সম্মত হয়নি আইসিসি। এদিনের বৈঠকের শেষেও নিজেদের অবস্থানেই অনড় থাকলো আইসিসি।
এদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় আইসিসি জানিয়েছে, টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী হবে এবং সূচির কোনও পরিবর্তন করা হবেনা। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ ভারতে দল না পাঠালে পরিবর্তে অন্য কোনও দলকে সুযোগ দেওয়া হবে। সূত্র অনুসারে, বাংলাদেশ না খেলতে এলে স্কটল্যান্ডকে সুযোগ দেওয়া হতে পারে।
বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভারতে খেলতে আসার ক্ষেত্রে নিরাপত্তাজনিত বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। যদিও আইসিসি-র মতে এই ধরণের কোনও সমস্যার সম্ভাবনা নেই। তাছাড়া এভাবে সুচি পরিবর্তন করলে তা ভবিষ্যতে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। তাই কোনোভাবেই সূচি বদলানো সম্ভব নয়।
উল্লেখ্য, টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে গ্রুপ সি-তে আছে বাংলাদেশ। এই গ্রুপের অন্যান্য দল হল ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইটালি, ইংল্যান্ড এবং নেপাল। মুম্বাই ও কলকাতায় এই গ্রুপের খেলা হবে।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন