

চন্দ্রগ্রহণের কারণে অনুশীলন পিছিয়ে ছিল ভারতীয় ক্রিকেট টিম! ভারতীয় দলের অনুশীলনের সময় পিছিয়ে দেওয়ার কারণ হিসেবে এমনটাই জানা যাচ্ছে।
সাধারণত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচের দু’দিন আগে অনুশীলন করে ভারতীয় টিম। এবারও সেইমতো বোর্ডের পক্ষ থেকে অফিসিয়ালি জানানো হয়েছিল, বৃহস্পতিবার ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে নামার আগে মঙ্গলবার ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে সন্ধ্যা ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত অনুশীলন করবে ভারতীয় দল। কিন্তু মঙ্গলবার দুপুরে দলকে আচমকা জানানো হয়, অনুশীলন শুরুর সময় ১ ঘণ্টা পিছিয়ে সন্ধ্যে ৭টা করে টিম ম্যানেজমেন্ট।
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চন্দ্রগ্রহণের কারণে অনুশীলনের সময় পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল। মঙ্গলবার বিকেল ৩.২০তে চন্দ্রগ্রহণ শুরু হয়, শেষ হয় ৬:৪৭ মিনিটে। এই সময়কালে অনুশীলন করা অশুভ বলে মনে করেছে টিম ম্যানেজমেন্ট। হিন্দু রীতি অনুসারে, গ্রহণ চলাকালীন সময়কালকে অশুভ হিসেবে বিবেচনা করা হয় কারণ এটি দুর্ভাগ্য বয়ে আনে। তাই অনুশীলনের সময় পিছিয়ে সন্ধ্যে ৭ টা করা হয়।
ম্যানেজমেন্টের একটি সূত্র ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সূত্র জানিয়েছে, ‘’দল যখন জেনেছে এই সময় চন্দ্রগ্রহণ হবে, তখন সেইসময়ে ভালো কিছু করা এড়িয়ে চলা উচিত বলে মনে করেছে তাঁরা। যেহেতু ভারত ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সেমিফাইনাল খেলতে নামবে, তাই দল ইতিবাচকভাবে শুরু করতে চেয়েছিল। অনেকেই মনে করেছিলেন অনুশীলনের সময় সন্ধ্যা ৬.৪০ মিনিট পর্যন্ত পিছিয়ে দেওয়া উচিত। টিম ম্যানেজমেন্ট এতে সম্মত হয়েছে এবং অনুশীলন এক ঘন্টা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।‘’
বিশ্বকাপ চলাকালীন ভারতীয় দলকে বিভিন্ন মন্দিরে প্রার্থনা করতে এবং আচার-অনুষ্ঠান পালন করতে দেখা গেছে। ম্যাচের আগের দিন কোচ এবং খেলোয়াড়দের বিভিন্ন মন্দিরে যেতে দেখা গেছে। যেমন সোমবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে নামার আগে কালীঘাট মন্দিরে গিয়েছিলেন গৌতম গম্ভীর। কারণ এই ম্যাচ ছিল মরণ-বাঁচন লড়াই। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারাতে না পারলে বিদায় নিতে হতো ভারতকে। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছে সূর্য কুমাররা।
ইংল্যান্ড অবশ্য নির্ধারিত সময়েই অনুশীলন করেছে। বিকাল ৫টা পর্যন্ত ওয়াংখেড়েতে অনুশীলন করেছেন হ্যারি ব্রুকেরা।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন