

রবিবারের ডার্বি ১-১ ব্যবধানে ড্র হয়েছে। এই ড্রয়ের পরে ফের জমে গেলো আইএসএল। অর্থাৎ দুটো দলকেই বাকি ম্যাচ দুটো জিততেই হবে। ম্যাচ শেষে ইস্টবেঙ্গল কোচ অস্কার ব্রুজোর দাবি, তাঁরা সুবিধাজনক জায়গায় রয়েছে।
অস্কার ব্রুজো বলেন, 'আমরা শেষ ম্যাচ জিতে চ্যাম্পিয়ন হব। আমরা সুবিধাজনক জায়গায় আছি। আমরা জিতে চ্যাম্পিয়ন হব। আমরা একটা গোল করলে, মোহনবাগানকে আরও বেশি গোল করতে হবে। আমরা বিশ্বাস করি, ওরা সেটা পারবে না।'
ডার্বির আগে বিপক্ষকে নিয়ে ভাল মতো হোমওয়ার্ক সেরেছেন ব্রুজো। তারই প্রতিফলন ঘটল মাঠে। অস্কার বলেন, 'আমাদের জেতা ম্যাচ। আমরা এত সুযোগ পেয়েও জিততে পারিনি। আমরা নিজেদের খেলা খেলেছি। মোহনবাগানের খেলার ধরন জানি। জেমিকে সামনে রেখে খেলবে জানতাম। তবে আমাদের গোল কনভার্ট করতে হবে। এদিকে নজর রাখতে হবে।'
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বইয়ের একটা নতুন পাতা খুললাম। যা এতদিন কেউ খোলেনি। সবাই খালি ব্যর্থতা দেখে এসেছে। এবার নতুন কিছু হতে চলেছে। সাফল্যের সাক্ষী থাকবে সমর্থকরা।'
অন্যদিকে হাল ছাড়তে চান না মোহনবাগান কোচও। সার্জিও লোবেরা বলেন, 'আমাদের হাতে আর কিছু নেই। এমন পরিস্থিতি আমরা চাইনি। তবে আমরা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করব। নিজেদের ওপর বিশ্বাস রাখতে হবে।'
ম্যাচের শেষদিকে বড় চেহারার দুই বিদেশি ডিফেন্ডারকে বসিয়ে দেন বাগান কোচ। তার কিছুক্ষণ পরই গোল হজম করেন। এটাই কি স্প্যানিশ কোচের বড় ভুল ছিল? যদিও তেমন মনে করছেন না লোবেরা। তিনি জানান, গোল পাওয়ার জন্য তাঁকে ঝুঁকি নিতেই হত। এমন ক্ষেত্রে মাঝেমধ্যে হিতে বিপরীত হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে। ইস্টবেঙ্গলের খেলার প্রশংসাও করেন তিনি। ম্যাচ নিয়ে অস্কারের সঙ্গে একমত লোবেরা। বাগান কোচ স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, এটা তাঁর দেখা সেরা ডার্বিগুলোর মধ্যে অন্যতম।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন