
সুইজারল্যান্ডের জুরিখে অনুষ্ঠিত হওয়া ডায়মন্ড লিগ ২০২৫-এর ফাইনালে দ্বিতীয় হলেন নীরজ চোপড়া। সোনা জেতার লক্ষ্যে নেমেছিলেন ভারতীয় জ্যাভেলিন তারকা। কিন্তু সন্তুষ্ট থাকতে রূপা দিয়েই। ৯০ মিটারের ধারেকাছেও পৌঁছাতে পারেননি তিনি। ছ'টির মধ্যে তিনটি থ্রো-ই ফাউল। সর্বাধিক ৮৫.০১ মিটার থ্রো করেছেন তিনি। ৯১.৫১ মিটার ছুড়ে সোনা জিতেছেন জার্মানির জুলিয়েন ওয়েবার। ৮৪.৯৫ মিটার ছুড়ে তৃতীয় হয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের কেশর্ন ওয়ালকট।
এদিনের ফাইনালে নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে খুশি নন নীরজ চোপড়া। নিজের পারফরম্যান্স সম্পর্কে বলতে গিয়ে ভারতীয় তারকা বলেন, "আজকের দিনটি ভালো ছিল না। খেলাধুলোতে এরকম দিন থাকে! কিন্তু শেষ প্রচেষ্টায় আমি ৮৫ মিটারেরও বেশি থ্রো করতে পেরেছি। রান-আপ খুব একটা ভালো ছিল না"।
তবে জ্যাভেলিন বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ নিয়ে আত্মবিশ্বাসী নীরজ। তিনি বলেন, "বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের আগে এখনও তিন সপ্তাহ আছে। আমি আমার সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করব। জ্যাভেলিন থ্রো করার জন্য আমার ভালো সময় খুঁজে বের করা দরকার"।
এদিন ফাইনালে নীরজ প্রথম থ্রোতে ৮৪.৩৫ মিটার ছোড়েন। অন্যদিকে প্রথমেই ৯১.৩৭ মিটার ছোড়েন ওয়েবার। ওয়ালকট ছোড়েন ৮৪.৯৫ মিটার। দ্বিতীয় চেষ্টায় নীরজ থ্রো করেন ৮২ মিটার। অন্যদিকে ওয়েবার দ্বিতীয় বারও ৯০ মিটারের বেশি ছোড়েন।
তৃতীয়, চতুর্থ এবং পঞ্চম চেষ্টায় ফাউল থ্রো করেন নীরজ। তবে বাকিরাও খারাপ থ্রো করেছেন। ফলে তৃতীয় স্থানে ছিলেন নীরজ। দেখে মনে করা হচ্ছিল ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে এবারে ব্রোঞ্জ নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হবে তাঁকে।
তবে শেষ চেষ্টায় ৮৫.০১ মিটার ছুড়ে ওয়ালকটকে টপকে যান তিনি। শেষ চেষ্টায় ওয়ালকট ৭৮.০৫ মিটার থ্রো করেন। তবে পৌঁছাতে পারেননি ওয়েবারের কাছে। ওয়েবার শেষ চেষ্টায় ৮৮ মিটার ছোড়েন। দ্বিতীয় হয়ে এবারেও রূপো নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হল নীরজকে।
২০২২ সালের ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে দুর্দান্ত পারফরম্য়ান্স করে প্রথম ভারতীয় হিসেবে সোনা জিতেছিলেন নীরজ। পরে তারপর দুবার অর্থাৎ ২০২৩ এবং ২০২৪ সালে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন তিনি। এবারও সোনা জেতা অধরা থেকে গেল তাঁর।
স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন