২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে অনন্য এক নজিরের সাক্ষী থাকছে ফুটবল বিশ্ব। এবারের ৪৮ দলীয় বিশ্বকাপের আসরে মাঠে নামছেন সাত জোড়া ভাই। যাদের মধ্যে তিন জোড়া খেলবেন আবার একই দেশের জার্সিতে। আন্তর্জাতিক ফুটবলের নিয়ম ও পারিবারিক কারণে অপর চার জোড়া ভাই খেলবেন ভিন্ন দেশের হয়ে।
থিও হার্নান্দেজ ও লুকাস হার্নান্দেজ (ফ্রান্স): ফ্রান্সের রক্ষণভাগের মূল ভরসা থিও হার্নান্দেজ ও লুকাস হার্নান্দেজ এবার বিশ্বকাপের মঞ্চে একইসাথে মাঠে নামবেন। সেন্টার ব্যাক লুকাস এবং লেফট ব্যাক থিও ২০২১ সালে প্রথমবারের মতো একসাথে ফ্রান্সের জার্সিতে খেলে রেকর্ডবুকে নিজেদের নাম তোলেন। ১৯৩২ সালের পর ফ্রান্সের জার্সিতে একইসাথে শুরুর একাদশে থাকা প্রথম ভাইয়ের জুটি হন তারা। কাতার বিশ্বকাপে থিও খেললেও লুকাস ছিটকে গিয়েছিলেন চোটের কারণে। কিন্তু এবার একই সাথে ফ্রান্সের রক্ষণভাগ সামলাবেন এই জুটি।
লারোস দুয়ার্তে ও ডেরয় দুয়ার্তে (কেপ ভার্দে) : নিজেদের ইতিহাসে প্রথম বিশ্বকাপ খেলতে আসা কেপ ভার্দের মাঝ মাঠের ভরসা দুয়ার্তে ব্রাদার্স। জন্ম নেদারল্যান্ডসে হলেও মা-বাবার দেশ কেপ ভার্দের হয়ে বিশ্বকাপ খেলবেন এই দুই ভাই। দুজনেই ডাচ বয়স ভিত্তিক দলে নিজেদের ফুটবল ক্যারিয়ারের সূচনা করেন।
লিয়ান্দ্রো বাকুনা ও জুনিনহো বাকুনা (কুরাসাও) : প্রথম বারের মতো বিশ্বকাপ খেলতে আসা কুরাসাওয়ের হয়ে মাঠে নামছেন বাকুনা ব্রাদার্স। বাবা-মা কুরাসাওয়ের হলেও এই দুই ভাইয়ের জন্ম নেদারল্যান্ডসে। ডাচ বয়স ভিত্তিক দলে খেলার পর কুরাসাও জাতীয় দলকেই বেছে নেন তারা। বড় ভাই লিয়ান্দ্রো অধিনায়কের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন কুরাসাওয়ের। জুনিনহোও এই দলের বড় ভরসা।
অন্যদিকে, দুই ভাই হওয়া সত্ত্বেও এবারের বিশ্বকাপে ভিন্ন দেশের হয়ে মাঠে নামার বিষয়টি আরও বৈচিত্র্য সৃষ্টি করেছে এবারের বিশ্বকাপে। এবারের বিশ্বকাপে ফ্রান্সের বড় ভরসা ডিজিয়ের দুয়ে। আর তার ভাই গুয়েলা ডুয়ে খেলবেন আইভোরি কোস্টের হয়ে।
একইভাবে, সুটার পরিবারের - হ্যারি স্যুটার খেলছেন অস্ট্রেলিয়ার হয়ে এবং তার ভাই জন স্যুটার খেলছেন স্কটল্যান্ডের হয়ে।
নেদারল্যান্ডসের দলে রয়েছেন ব্রায়ান বোর্বি। আর তার ভাই ডেরিক লুকাসেন খেলবেন ঘানার হয়ে।
২০২২ বিশ্বকাপে স্পেনের হয়ে খেলেছিলেন নিকো ইউলিয়ামস এবং তার ভাই ইনাকি উইলিয়ামস খেলেছিলেন ঘানার হয়ে। এই বিশ্বকাপেও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন