বাংলার চিরকালীন সংহতিকে অপমান করেছে ইস্টবেঙ্গল, টিফো ইস্যুতে লাল-হলুদকে তোপ মোহনবাগান সভাপতির

People's Reporter: জামশেদপুরে ISL-এর ম্যাচ দেখতে গিয়ে পুলিশের হাতে মোহনবাগান সমর্থকরা আক্রান্ত হয়েছিলেন। এই ঘটনায় জামশেদপুর পুলিশকে ধন্যবাদ জানিয়ে একটি টিফো প্রদর্শন করে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা।
বাংলার চিরকালীন সংহতিকে অপমান করেছে ইস্টবেঙ্গল, টিফো ইস্যুতে লাল-হলুদকে তোপ মোহনবাগান সভাপতির
Published on

বাংলার ফুটবল সমর্থকদের কাছে এটা প্রত্যাশিত ছিল না! কিন্তু তা হয়েছে। জামশেদপুরে মোহনবাগান বনাম জামশেদপুর ম্যাচে বাগান সমর্থকদের আক্রান্ত হওয়ার ঘটনায় জামশেদপুর পুলিশকে ধন্যবাদ জানালেন ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা। ইস্টবেঙ্গল বনাম ব্যাঙ্গালুরু ম্যাচে ইস্টবেঙ্গল গ্যালারি থেকে জামশেদপুর পুলিশকে ধন্যবাদ জানিয়ে টিফো দেখানো হয়েছে! এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন মোহনবাগান সভাপতি দেবাশীষ দত্ত। এদিন তিনি সোশ্যাল মিডিয়া লিখলেন, মাঠের লড়াই কি আমাদের জাত্যাভিমানকেও হারিয়ে দিল?

কিছুদিন আগে জামশেদপুরে ISL-এর ম্যাচ দেখতে গিয়ে পুলিশের হাতে মোহনবাগান সমর্থকরা আক্রান্ত হয়েছিলেন। মাথাও ফেটেছিল এক সমর্থকের। এই ঘটনার নিন্দা করার পরিবর্তে জামশেদপুর পুলিশকে ধন্যবাদ জানিয়ে ইস্টবেঙ্গল গ্যালারিতে একটি টিফো প্রদর্শন করা হয় বৃহস্পতিবার। যেখানে লেখা ছিল - Well Done Jamshedpur Police আসছে বছর আবার হবে।

এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন মোহনবাগান সভাপতি দেবাশীষ দত্ত। তিনি লেখেন, "মাঠের লড়াই কি আমাদের জাত্যাভিমানকেও হারিয়ে দিল? এক হাতে মোহনবাগান, অন্য হাতে ইস্টবেঙ্গল —এই দুই স্তম্ভের ওপর দাঁড়িয়ে আছে বাংলার ফুটবল আবেগ। কিন্তু আজ সেই আবেগ কি দিকভ্রান্ত? জামশেদপুরে ISL-এর ম্যাচ দেখতে গিয়ে আমাদেরই ঘরের ছেলে মোহনবাগান সমর্থকরা আক্রান্ত হলেন। কারও মাথা ফাটল, কারও পড়ল ১০টি সেলাই। সেই রক্ত কোনও নির্দিষ্ট ক্লাবের নয়, সেই রক্ত ছিল একজন বাঙালির। ভিনরাজ্যে গিয়ে যখন নিজের রাজ্যের মানুষ লাঞ্ছিত হয়, তখন সেটা গোটা বাংলার অপমান।"

তিনি আরও লেখেন, "কলকাতায় ইস্টবেঙ্গল গ্যালারিতে যখন সেই ঘটনার হোতাদের ধন্যবাদ জানিয়ে ব্যানার (ব্যানারে লেখা: "Well Done Jamshedpur Police") ঝোলানো হয়, তখন মাথা লজ্জায় নত হয়ে আসে। ব্যানারের ওই ভাষা কি শুধু মোহনবাগানকে বিঁধল? না, ওই ভাষা অপমান করল ফুটবলকে, অপমান করল বাংলার চিরকালীন সংহতিকে।"

SUPPORT PEOPLE'S REPORTER

ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন

Related Stories

No stories found.
logo
People's Reporter
www.peoplesreporter.in