

অঙ্কিত মুখার্জীকে সই করালো চেন্নাইয়ান এফসি। আগামী মরসুমে চেন্নাইয়ের জার্সি গায়ে মাঠে নামবেন অঙ্কিত। গত আইএসএলে অঙ্কিত বিতর্কে জড়ান।
গত মরসুমে কেরালা ব্লাস্টার্স ম্যাচের শুরুতেই ১৬ মিনিটের মাথায় অঙ্কিতকে তুলে তাঁর পরিবর্তে মহম্মদ রাকিবকে নামান কোচ স্টিফেন কনস্টানটাইন। তখনই নিজের জার্সি খুলে মাঠে ছুড়ে ফেলেন অঙ্কিত। ইস্টবেঙ্গল জার্সির অপমান করায় অঙ্কিত মুখার্জীর সঙ্গে চুক্তি ভঙ্গ করে ইস্টবেঙ্গল। এছাড়া শোকজ নোটিশও পাঠানো হয়।
যদিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষমা চেয়ে অঙ্কিত বলেন, কাজটা অনিচ্ছাকৃতভাবে করে ফেলেছি। আমার এই আচরণে অনেকেই আঘাত পেয়েছেন। তবে তাঁরা আমাকে ভুল বুঝছেন। আমি কখনও ক্লাব ও সমর্থকদের অপমান করতে চাইনি। ম্যাচে আমাকে বসিয়ে দেওয়া হয়, যে আঘাত পেয়েছিলাম, সেই কারণেই রেগে গিয়েছিলাম। ওই মুহূর্তে আমার মাথা ঠিক ছিল না। ক্লাব সমর্থকরা সবসময় আমার হৃদয়ে আছেন।
তিনি আরও বলেছিলেন, 'এই ক্লাবেই আমি পেশাদার ফুটবলজীবন শুরু করেছিলাম। আমার গোটা পরিবার ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের কাছে কৃতজ্ঞ। ইস্টবেঙ্গল ক্লাবকে অসম্মান করার কথা আমি কল্পনাও করতে পারি না। আমার প্রাণের রং লাল-হলুদ। ওই বয়সেই আমি অনূর্ধ্ব-১৫ দলের হয়ে খেলি। ভবিষ্যতে এমন কোনও কাজ করব না যাতে ক্লাবের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়। আমায় মার্জনা করবেন।' আগামী মরসুমে নতুনভাবে দল করছে ইস্টবেঙ্গল। সেই কারণে এই বাঙালি ফুটবলারের কথা আর ভাবা হয়নি।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন