বাংলার ফুটবল নিয়ে মুখ খুললেন মেহতাব ও নবি
বাংলার ফুটবল নিয়ে মুখ খুললেন মেহতাব ও নবিগ্রাফিক্স - সুমিত্রা নন্দন

বাংলার ফুটবল কি মৃত? কী বললেন মেহেতাব, নবি

বাংলার ফুটবল অ্যাম্বাসেডর রহিম নবি জানান, 'আসলে কলকাতা লিগ সেভাবে হয় না। আইএসএল আসার পরে দেশীয় ফুটবলার ওঠার সংখ্যা কমে গেছে।
Published on

বাঙালি ফুটবলার উঠে আসছে না, বাংলার ফুটবল মৃত। বাংলার ফুটবলের অবস্থা নিয়ে এই কথাগুলো প্রায়ই শোনা যায়। এবার এই বিষয়ে মুখ খুললেন ভারতের জার্সিতে খেলা বাংলার দুই প্রাক্তন ফুটবলার মেহেতাব হোসেন এবং রহিম নবি।

একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচের শেষে মেহেতাব জানান, 'আমরা বাইচুং ভুটিয়া, দেবজিৎ ঘোষদের দেখে অনুপ্রেরণা পেতাম। ওদের মতো ফুটবল খেলতে হবে। এখনকার ফুটবলাররা আমাদের দেখে অনুপ্রেরণা পান না। বাংলার ফুটবলের হাল সত্যি খারাপ। টিপ টিপ করে জ্বলছে প্রীতম কোটাল আর শুভাশিস বোস। কিন্তু আর কাউকে দেখছি না। শেষ তারকা আমরাই। ফুটবলকে ভালোবাসতে হবে। আর এখনকার ফুটবলে তো টাকা আছে। যদি কোনো ফুটবলার ১০ বছর পেশাদার ফুটবল খেলে। তাকে সারাজীবন চিন্তা করতে হবে না।'

বাংলার ফুটবল অ্যাম্বাসেডর রহিম নবি জানান, 'আসলে কলকাতা লিগ সেভাবে হয় না। আইএসএল আসার পরে দেশীয় ফুটবলার ওঠার সংখ্যা কমে গেছে। সমস্যার সমাধান করতে হবে। বাংলাতে ট্যালেন্ট আছে। সেগুলো খুঁজে বের করতে হবে।'

কিছুদিন আগে বাংলার ফুটবলের উন্নতি সম্পর্কে ফেডারেশন সভাপতি কল্যাণ চৌবে জানান, 'আপাতত জেলার অনূর্ধ্ব-২৩ চ‍্যাম্পিয়নশীপটাই বাংলার জন্য পাওনা। কারণ আগে ফুটবলারদের তৈরি করতে হবে। এছাড়াও ট‍্যালেন্ট ডেভেলপমেন্ট নিয়ে কাজ করতে হবে। তাহলেই বড় ফুটবলার তৈরীর রাস্তা বেরিয়ে আসবে।'

বাংলার ফুটবল নিয়ে মুখ খুললেন মেহতাব ও নবি
দুই প্রধান থাকলেও IFA-র প্রথম মহিলা শিল্ড খেলছে না মোহনবাগান!

SUPPORT PEOPLE'S REPORTER

ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন

logo
People's Reporter
www.peoplesreporter.in