মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীফাইল ছবি

West Bengal: তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষের ফলে অবনতি হচ্ছে আইন শৃঙ্খলার - অভিযোগ অধীরের

গতকাল মুখ্যমন্ত্রীকে লেখা এক চিঠিতে অধীর চৌধুরী জানান, আমার সংসদীয় কেন্দ্র বহরমপুরের অন্তর্গত বেলডাঙ্গা বিধানসভা ক্ষেত্রের কুমারপুর সুজাপুর পঞ্চায়তের ভয়াবহ অবস্থার দিকে আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই।
Published on

তৃণমূলের অন্তঃকলহে মুর্শিদাবাদে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে একথা জানিয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী।

গতকাল মুখ্যমন্ত্রীকে লেখা এক চিঠিতে অধীর চৌধুরী জানান, আমার সংসদীয় কেন্দ্র বহরমপুরের অন্তর্গত বেলডাঙ্গা বিধানসভা ক্ষেত্রের কুমারপুর সুজাপুর পঞ্চায়তের ভয়াবহ অবস্থার দিকে আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। এই অঞ্চলে তৃণমূল কংগ্রেসের বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে লাগাতার সংঘর্ষে এলাকায় প্রতিদিন উত্তেজনা তৈরি হচ্ছে। প্রতিদিন তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষের কারণে স্থানীয় মানুষ ভীত সন্ত্রস্ত। তাঁরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। সমস্ত এলাকায় ভয়ের বাতাবরণ তৈরি হয়েছে। তাঁর আরও অভিযোগ পুলিশের বাড়াবাড়ির কারণে সাধারণ মানুষের সমস্যা বাড়ছে।

অধীর ওই চিঠিতে আরও জানিয়েছেন, সুজাপুর কুমারপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের তেতলাপাড়ার প্রথম থেকেই মুসলিম অধ্যুষিত। আমি জানতে পেরেছি এই অঞ্চলে পুলিশের পক্ষ থেকে বাড়ি বাড়ি যাওয়া হচ্ছে। লুটপাট চালানো হচ্ছে। স্থানীয় মানুষের বাড়িঘর ভাঙচুর করা হচ্ছে। মহিলাদের বিরুদ্ধে ক্রিমিনাল কেস দায়ের করা হচ্ছে এবং বেশ কিছু মহিলাকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে।

এইসব কারণে স্থানীয় প্রশাসন এবং পুলিশের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ বাড়ছে। মহিলারা বাধ্য হয়ে অন্য গ্রামে চলে যাচ্ছেন। তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হচ্ছে বলেও অধীর অভিযোগ করেন।

অধীরের অভিযোগ, এই লড়াইয়ের মূল কেন্দ্র তেতলাপাড়া। যে অঞ্চলের প্রতিদিনকার হিংসার জেরে মানুষের জীবন বিপর্যস্ত। আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি, তৃণমূলের স্থানীয় গোষ্ঠীগুলির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক এবং এলাকায় শান্তি ফিরিয়ে আনতে প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করুক।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী
"বাংলায় ল এন্ড অর্ডার নেই, যা আছে তা হলো - ডেমোক্রেসির বদলে মমতাক্রেসি" - অধীর রঞ্জন চৌধুরী

SUPPORT PEOPLE'S REPORTER

ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন

logo
People's Reporter
www.peoplesreporter.in