

মরশুমের শীতলতম দিন মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি)। কলকাতার পারদ নামলো ১০ ডিগ্রির ঘরে। তার উপর রোদের দেখাও নেই সকাল থেকে। কুয়াশার চাদরে ঢেকে রয়েছে সর্বত্র। শেষ কবে এমন শীত পড়েছিল তা মনে করতে পারছেন না অনেকেই।
আবহাওয়া দপ্তরের রিপোর্ট অনুযায়ী, আজ মরশুমের শীতলতম দিন। কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ৩.৭ ডিগ্রি কম। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১৮.৪ ডিগ্রি। সেটিও স্বাভাবিকের থেকে ৬.৭ ডিগ্রি কম। সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের চেয়ে ১.৭ ডিগ্রি কম। এক ধাক্কায় ২ ডিগ্রি নেমেছে পারদ।
দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলাগুলির অবস্থাও প্রায় একইরকম। সোমবার রাতে অনেক জায়গাতেই তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নীচে নেমে গিয়েছিল। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহে কলকাতা-সহ গাঙ্গেয় দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে আরও তাপমাত্রা কমবে। বুধবার এবং বৃহস্পতিবার দক্ষিণবঙ্গে রাতের তাপমাত্রা আরও ২ ডিগ্রি কমতে পারে। তারপরের ৪-৫ দিন তাপমাত্রার বিশেষ হেরফর হবে না।
মঙ্গলবার সকালে দক্ষিণবঙ্গের সর্বত্র হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশায় ঢেকে ছিল। সাথে পাল্লা দিয়ে ছিল কনকনে উত্তুরে হাওয়া। দৃশ্যমানতা একেবারে নেমে যায়। ভোরের দিকে বেশ কিছু লোকাল ট্রেন নির্দিষ্ট টাইমের অনেক পরে চলে।
তবে এর আগেও এমন শীত পড়েছে কলকাতায়। ২০১৩ সালের জানুয়ারিতে শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে গিয়েছিল ৯ ডিগ্রিতে। ১৮৯৯ সালের জানুয়ারিতে ৬.৭ ডিগ্রিতেও নেমেছিল কলকাতার পারদ।
হাড় কাঁপানো ঠান্ডা রয়েছে উত্তরবঙ্গেও। উত্তরের জেলাগুলিতেও আগামী দু’দিন আরও দুই ডিগ্রি পারদ নামতে পারে। দার্জিলিং, কালিম্পং এবং জলপাইগুড়িতে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিংয়ের পার্বত্য উঁচু এলাকা যেমন সান্দাকফু, ঘুম, ধোত্রে, চটকপুরের মত এলাকায় তুষারপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিং, কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুরে আজ ও কাল কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি থাকবে। দৃশ্যমানতা ৫০ মিটারে নেমে আসতে পারে কোথাও কোথাও। বাকি জেলাতেও সকালের দিকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকবে।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন