TMC: 'আজ আমরা কুকুরে পরিণত হয়েছি' - টিকিট না পেয়ে ফেসবুক লাইভে কেঁদে ভাসালেন তৃণমূল নেতা

তিনি কাঁদতে কাঁদতে বলেন, ‘‌আমি কৃষক পরিবারের ছেলে। আমার অর্থনৈতিক অবস্থা খারাপ। আমি দীর্ঘদিন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের দায়িত্বে ছিলাম। একের পর এক নির্বাচনে দলের কাজ করেছি। দলকে বাঁচিয়ে আমি এখন অসহায়।
তাপস ঘোষ
তাপস ঘোষছবি - ফেসবুক লাইভের স্ক্রিনশট
Published on

প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর ক্ষোভে, দুঃখে কেঁদে ভাসালেন ক্ষীরপাই শহর যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তাপস ঘোষ। পুরসভা নির্বাচনের জন্য শাসকদলের প্রথম প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর থেকেই রাজ্যজুড়ে তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভ দেখালেন। আন্দোলন করলেন। প্রসঙ্গত, পরে শীর্ষ নেতৃত্বের স্বাক্ষরিত তালিকা প্রকাশিত হয়।

আর সেই তালিকা দেখে ফেসবুক লাইভে এলেন, কেঁদে ভাসালেন যুব তৃণমূলের সভাপতি তাপস ঘোষ। কারণ প্রার্থী তালিকায় তাঁর নাম নেই। ফেসবুকে একটি ফ্যান পেজ রয়েছে এই তৃণমূল নেতার। পেজের নাম 'তাপস ঘোষ ফ্যান ক্লাব'। ওই অ্যাকাউন্ট থেকেই লাইভে আসেন তিনি। তারপরেই কাঁদতে শুরু করেন।

কাঁদতে কাঁদতেই দলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলেন। ক্ষীরপাই শহর যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তাপস ঘোষ এলাকায় পুরানো তৃণমূল কর্মী বলেই পরিচিত। এর আগে চন্দ্রকোনা ১ ব্লকের তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি ছিলেন তিনি।দলের প্রার্থীতালিকায় নিজের নাম থাকবে বলে আশা করেছিলেন তাপস।

ফেসবুক লাইভে ক্ষোভের সুরে বলেন, 'আমি চাই দল বাঁচুক। কিন্তু দল করেছি বলে এই নয় যে আমরা কুকুর। দলকে বাঁচানোর চেষ্টা করেছি টাকার জন্য দল চলে, কিন্তু আমার সেই সামর্থ্য নেই। তাই আমি টিকিট পেলাম না। আগামী দিনে হয়তো দলের পাশে থাকতে পারব না।'

ফেসবুক লাইভে তিনি কাঁদতে কাঁদতে বলেন, ‘‌আমি কৃষক পরিবারের ছেলে। আমার অর্থনৈতিক অবস্থা খারাপ। আমি দীর্ঘদিন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের দায়িত্বে ছিলাম। একের পর এক নির্বাচনে দলের কাজ করেছি। দলকে বাঁচিয়ে আমি এখন অসহায়। সিপিআইএম, বিজেপির দালালরা তৃণমূল কংগ্রেস করে চাকরি পেয়েছে। কিন্তু আজ আমরা কুকুরে পরিণত হয়েছি।'

তিনি কি তবে দল ছাড়ার ইঙ্গিত দিলেন? প্রশ্ন উঠছে রাজনৈতিক মহলে। তবে এই ঘটনায় দলের অন্দরে যথেষ্ট অস্বস্তি তৈরি হয়েছে।

তাপস ঘোষ
TMC: বিজেপি কর্মীর নামও তালিকায়, পুরভোটের প্রার্থীতালিকা নিয়ে অসন্তোষ, I-PACকে দুষছে একাংশ

SUPPORT PEOPLE'S REPORTER

ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন

Related Stories

No stories found.
logo
People's Reporter
www.peoplesreporter.in