“জেলে নিয়ে গেলে ঢুকে পড়ুন, বাইরে থাকলে মেরে দেবে” - অনুব্রত মন্ডলকে পরামর্শ দিলীপের

প্রসঙ্গত, গরু পাচারকাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য মোট ৬ বার অনুব্রত মন্ডলকে তলব করেছে সিবিআই। প্রতিবারই হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছেন তিনি।
“জেলে নিয়ে গেলে ঢুকে পড়ুন, বাইরে থাকলে মেরে দেবে” - অনুব্রত মন্ডলকে পরামর্শ দিলীপের
ফাইল চিত্র

অনুব্রত মন্ডলের জীবনহানির আশঙ্কা করছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সিবিআইকে যাতে অনুব্রত মন্ডল এড়িয়ে না যান, সেই বিষয়েও পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন – “সিবিআই এড়াবেন না, জেলে নিয়ে গেলে ঢুকে পড়ুন, বাইরে থাকলে মেরে দেবে।”

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন – “জেলই ওঁর জন্য তূলনামূলকভাবে নিরাপদ। বাইরে থাকলে ওঁকে বিষ দেওয়া হতে পারে। বিভিন্ন কেলেঙ্কারীতে তৃণমূল কংগ্রেসের কারা উপকৃত হয়েছে সে সম্পর্কিত সমস্ত তথ্য তাঁর কাছে আছে। অনির্দিষ্টকাল তো আর সিবিআইকে এড়াতে পারবেন না। তাই, তাঁর সিবিআই-এর মুখোমুখি হওয়াই ভালো।”

প্রসঙ্গত, গরু পাচারকাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য মোট ৬ বার অনুব্রত মন্ডলকে তলব করেছে সিবিআই। প্রতিবারই হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছেন তিনি। গত ৬ এপ্রিল পঞ্চমবারের তলবে নিজাম প্যালেসে সিবিআই দপ্তরে হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল অনুব্রতর। আগের দিনই কলকাতায় পৌঁছে গিয়েছিলেন তিনি। নির্দিষ্ট সময়ে নিজের চিনার পার্কের বাড়ি থেকে বেরিয়েও ছিলেন। কিন্তু সিবিআই দপ্তরে না গিয়ে সোজা এসএসকেএম হাসপাতালে গিয়ে উডবার্ন ওয়ার্ডে ভর্তি হন তিনি।

উল্লেখ্য, অনুব্রত মন্ডলের এই ধারাবাহিক সিবিআই-র মুখোমুখি হওয়া থেকে এড়িয়া যাওয়া নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যেও প্রশ্ন উঠছে। এর আগে তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক এবং দলের মুখপাত্র, কুণাল ঘোষ বলেছিলেন – “আমি কখনই কেন্দ্রীয় সংস্থাকে এড়িয়ে যাইনি। বরং আমি নির্ধারিত সময়ের অন্তত পাঁচ মিনিট আগে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির অফিসে পৌঁছাতাম। এমনকি দলের জাতীয় সাধারণ সম্পাদক, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির মুখোমুখি হওয়া থেকে কখনও এড়িয়ে যাননি।”

“জেলে নিয়ে গেলে ঢুকে পড়ুন, বাইরে থাকলে মেরে দেবে” - অনুব্রত মন্ডলকে পরামর্শ দিলীপের
তৃণমূলের জেলা সভাপতি হিসাবে অনুব্রত মণ্ডল কীভাবে গাড়িতে লাল বাতি ব্যবহার করলেন! প্রশ্ন CBI-র

GOOGLE NEWS-এ আমাদের ফলো করুন

Related Stories

No stories found.