

ফের নারদকাণ্ডের তদন্তের জন্য নারদ কর্তা ম্যাথু স্যামুয়েলকে ডেকে পাঠাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। উদ্দেশ্য, তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্তের গতি বাড়ানো। আগামী ৮ মার্চ সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দফতরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ম্যাথুকে তলব করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।
ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, ম্যাথুকে জিজ্ঞাসাবাদ করে গোয়েন্দারা জানার চেষ্টা করবেন যে নারদ স্টিং অপারেশনের জন্য মোট কত খরচ হয়েছিল। সেই সংক্রান্ত আরও বেশ কিছু তথ্য সংগ্রহ করা প্রয়োজন। তাই নারদ কর্তাকে তলব করা হয়েছে ইডির পক্ষ থেকে। যেহেতু খরচ সংক্রান্ত বিষয় জানাই এবারের তলবের মূল কারণ, তাই স্টিং অপারেশনের খরচের বিস্তারিত নথিপত্র ম্যাথু স্যামুয়েলকে আনার নির্দেশ দিয়েছে ইডি।
২০১৪ সালে ব্যবসায়ীর ছদ্মবেশে স্টিং অপারেশন করেছিলেন ম্যাথু। বেশ কয়েকজন নেতা-নেত্রী, পুলিশ অফিসারের হাতে টাকা তুলে দেন। এই নেতারা রাজ্য-রাজনীতিতে প্রথিতযশা। আর সেই টাকা তুলে দেওয়ার দৃশ্য গোপনে ক্যামেরাবন্দি হয়। ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে সেই গোপন ক্যামেরাবন্দি ভিডিও ফাঁস করেন ম্যাথু।
তারপর তোলপাড় হয়ে যায় গোটা রাজ্য তথা দেশ। প্রকাশ্যে চলে আসে ওই তৃণমূল নেতা-মন্ত্রীর নাম। এরপরে তদন্তে নামে সিবিআই ও এনফর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সেই ঘটনার ভিডিও জনগণ ভুলে যাননি বলে মনে করে রাজনৈতিক মহল।
প্রসঙ্গত, সিবিআইয়ের পর নারদ কাণ্ডে ইডি চার্জশিট পেশ করে। সেই চার্জশিটে তৃণমূলের চার নেতা মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র, শোভন চট্টোপাধ্যায়ের পাশাপাশি উল্লেখ করা হয় মুকুল রায় ও বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীর নাম। গত বছর মে মাসে নারদকাণ্ডে সিবিআই তাঁদের গ্রেফতার করলেও পরে অবশ্য কলকাতা হাইকোর্টে তাঁরা শর্তসাপেক্ষে জামিন পেয়ে যান।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন