ময়নাগুড়িতে ট্রেন দুর্ঘটনা - স্বেচ্ছায় রক্ত দিতে রেড ভলান্টিয়ারদের লাইন জলপাইগুড়ি ব্লাড ব্যাঙ্কে

ইতিমধ‍্যেই কয়েক ইউনিট ব্লাড দিয়েছেন রেড ভলেন্টিয়াররা। আরও দিতে প্রস্তুত। প্রয়োজনে আজ সারারাত ব্লাড ব‍্যাঙ্কের সামনে অপেক্ষা করবেন তাঁরা, এমনটাই জানিয়েছেন তাঁরা।
ময়নাগুড়িতে ট্রেন দুর্ঘটনা - স্বেচ্ছায় রক্ত দিতে রেড ভলান্টিয়ারদের লাইন জলপাইগুড়ি ব্লাড ব্যাঙ্কে
ব্লাড দিচ্ছেন এক রেড ভলেন্টিয়ারছবি রেড ভলেন্টিয়ার-এর ফেসবুক পেজের সৌজন্যে

ময়নাগুড়িতে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় আহতদের রক্ত দিতে জলপাইগুড়ি জেলা ব্লাড ব‍্যাঙ্কের সামনে বিশাল ভিড় SFI-DYFI সদস্যদের। এরা সকলেই রেড ভলেন্টিয়ার্স। ইতিমধ‍্যেই কয়েক ইউনিট ব্লাড দিয়েছেন তাঁরা। আরও দিতে প্রস্তুত। প্রয়োজনে আজ সারারাত ব্লাড ব‍্যাঙ্কের সামনে অপেক্ষা করবেন তাঁরা, এমনটাই জানিয়েছেন তাঁরা।

শুধু ব্লাডই যে কোনোরকম প্রয়োজনে সাহায‍্যের জন্য হেল্পলাইন নম্বর চালু করেছে রেড ভলেন্টিয়ার্স। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সেই নম্বর ছড়িয়েও দিয়েছেন তাঁরা।

শুধু তাই নয় রীতিমতো নামের একটি তালিকা তৈরি করেছেন রেড ভলেন্টিয়াররা। সেখানে নাম, ব্লাডগ্রুপ এবং ফোন নাম্বার লেখা রয়েছে। এই তালিকাও সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছেন তাঁরা।

হেল্প লাইন নম্বরগুলো হলো -

7908974281 - অর্পণ পাল

62962 26502 শুভম সাহা

89023 77103 অনুভব দে

96354 03905 উৎসা চৌধুরী

93827 36754 সৌভিক ঘোষ

7980919930 সৌহার্দ্য দেব

অন‍্যদিকে দুর্ঘটনাস্থলে উদ্ধারকাজে সহযোগিতা করছেন রেড ভলেন্টিয়ার্সের অন্য একটি দল। স্থানীয় সিপিআইএম নেতারাও তাঁদের সাথে উদ্ধারকার্যে হাত লাগিয়েছেন। সেখানেও একটি হেল্পলাইন নম্বর চালু করেছে রেড ভলেন্টিয়ার্সের পক্ষ থেকে - 8250938474

প্রসঙ্গত, আজ বিকেল ৫টা নাগাদ ময়নাগুড়ির দোমোহানিতে ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়ে গুয়াহাটিগামী বিকানের এক্সপ্রেস। ট্রেনের ১২টি কামরায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গ‍্যাসকাটার দিয়ে বগি কেটে যাত্রীদের উদ্ধার করা হচ্ছে। অন্ধকারের জন্য উদ্ধারকার্য ব‍্যাহত হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত ৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এছাড়াও ৫০ জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ব্লাড দিচ্ছেন এক  রেড ভলেন্টিয়ার
Train Accident: ময়নাগুড়িতে লাইনচ্যুত বিকানের এক্সপ্রেস, বহু যাত্রীর মৃত্যুর আশঙ্কা

GOOGLE NEWS-এ আমাদের ফলো করুন

Related Stories

No stories found.
People's Reporter
www.peoplesreporter.in