অনেকে ‘লেসার এভিল’ তত্ত্ব দিয়েছিল! কিন্তু কেউ বেশি, কেউ কম নয়, দুজনেই সমান শয়তান - সেলিম

তৃণমূল-বিজেপির সাথে মিডিয়ার বিরুদ্ধেও ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। তিনি বলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্যই কিছু মিডিয়া বসে আছে।
মদম্মদ সেলিম
মদম্মদ সেলিমগ্রাফিক্স - সুমিত্রা নন্দন
Published on

ফের একবার তৃণমূল-বিজেপিকে কড়া আক্রমণ করলেন সিপিআই(এম) রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। তাঁর মতে পঞ্চায়েত নির্বাচনের জন্যই মিডিয়ার মাধ্যমে রাজ্যের মানুষকে বিভ্রান্ত করে যাচ্ছে দুই দল। যার বিরুদ্ধে বাংলার মানুষ রুখে দাঁড়াবেই।

শনিবার হাওড়ার শ্যামপুরে সারা ভারত খেতমজুর ইউনিয়নের একটি প্রকাশ্য সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সেলিম। সেখানেই তিনি বলেন, ‘সামনে পঞ্চায়েত নির্বাচন। তার আগে দেখবেন বিভিন্ন পাড়াতে মুসলিম সম্প্রদায়ের নেতারা গিয়ে বলবে তৃণমূল ভালো। আর হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতারা বলবে বিজেপি ভালো। আসলে এরা মানুষকে বোকা বানাচ্ছে। হিন্দু-মুসলমানের জন্য গ্যাসের দাম আলাদা নয়। আমাদেরকে একযোগে লড়তে হবে। ঐক্যবদ্ধ ভাবে মানুষকে এগিয়ে যেতে হবে’।

তিনি আরও বলেন, আমাদের রাজ্যে দিদি লুঠ আর কেন্দ্রে মোদী লুঠ চলছে। গরিব, খেটে খাওয়া মানুষের হাতে টাকা নেই। বামফ্রন্ট সরকার মানুষের জন্য যে অধিকার দিয়েছিল তা আজ লুপ্ত হয়ে গেছে। অনেকে বিধানসভা নির্বাচনের আগে ‘লেসার এভিল’ ও ‘গ্রেটার এভিল’ তত্ত্ব দিয়েছিল। এখন কেউ বেশি, কেউ কম নয়। দুজনেই সমান শয়তান। লুটেরাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে পারে একমাত্র ‘লাল ঝান্ডা’।

পাশাপাশি সেলিমবাবুকে বলতে শোনা যায়, ‘লাল ঝান্ডা’ মেহনতি মানুষের অধিকারের কথা বলে। গোটা ভারতে লাল ঝান্ডা দুর্বল হওয়ায় মেহনতি মানুষ দুর্বল হয়ে পড়েছে। তাঁরা তাঁদের অধিকার আদায়ে প্রতিনিয়ত বাধা পাচ্ছেন। এই সবের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই জারি থাকবে।

তৃণমূল-বিজেপির সাথে মিডিয়ার বিরুদ্ধেও ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। তিনি বলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্যই কিছু মিডিয়া বসে আছে। তাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে এমন একটা পরিস্থিতি সৃষ্টি করা যাতে মনে হয় বাংলায় তৃণমূলকে উৎখাত করতে পারে একমাত্র বিজেপি। কিন্তু দেখুন ওরা (দুই দলের নেতা) দলবদল করেই চলেছে। মানুষের দুর্দশার কথা তুলে ধরে একমাত্র বামপন্থীরাই।

মদম্মদ সেলিম
তৃণমূলের দলীয় মঞ্চে সংবর্ধনা নিতে কর্তব্যরত পুলিশ! ভাইরাল ভিডিও, তীব্র কটাক্ষ বিরোধীদের
মদম্মদ সেলিম
SSC-র ২২৩ জন অবৈধ শিক্ষকের সঙ্গে অনুব্রত মণ্ডলের সম্পর্ক খতিয়ে দেখছে ED

SUPPORT PEOPLE'S REPORTER

ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন

logo
People's Reporter
www.peoplesreporter.in