WB Municipal Election: শুনানি পিছোনোয় কলকাতা হাওড়ার পুর নির্বাচনী বিজ্ঞপ্তি নিয়ে বিভ্রান্তি জারি
বিজেপির আবেদনের শুনানি পিছিয়ে যাওয়ায় কলকাতা এবং হাওড়ার পৌরসভার নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি জারি নিয়ে বিভ্রান্তি জারি থাকলো। পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত পৌরসভার নির্বাচন একসঙ্গে করার জন্য বিজেপির পক্ষ থেকে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়। বুধবার. কলকাতা হাইকোর্টে প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের বেঞ্চ জানিয়েছে আগামী ২৯ নভেম্বর এই পিটিশনের শুনানি হবে।
পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশন (এসইসি) ১৯ ডিসেম্বর কলকাতা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন এবং হাওড়া মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের নির্বাচন পরিচালনা করার বিষয়ে সহমত হয়েছিল।
বিজেপির পক্ষ থেকে দুই কর্পোরেশনের সাথে ১১২টি পৌরসভার মুলতুবি থাকা নির্বাচন পরিচালনা করার জন্য এসইসিকে অনুরোধ জানিয়ে পিটিশন দাখিল করা হয়। কমিশন তার হলফনামায় জানিয়েছে মামলার শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচনের ঘোষণা করা হবে না। ফলে পরিস্থিতি এমনই দাঁড়িয়েছে কমিশন যদি বৃহস্পতিবারের মধ্যে নির্বাচনের ঘোষণা না করে সেক্ষেত্রে ১৯ ডিসেম্বর নির্বাচন করা সম্ভব নয়।
কমিশনের পক্ষ থেকে এক আধিকারিক জানিয়েছেন, "সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী, নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি জারির তারিখ থেকে নির্বাচনের তারিখের মধ্যে ন্যূনতম ২৪ দিনের ব্যবধান থাকতে হবে। যদি বৃহস্পতিবার নির্বাচনের ঘোষণা না করা যায়, সেক্ষেত্রে এই সময়সীমা পূরণ করা সম্ভব হবে না। সেক্ষেত্রে কমিশন এ বছর নির্বাচন করতে পারবে না।”
তিনি আরও জানান, "আমরা যদি ১৯ ডিসেম্বর নির্বাচন পরিচালনা করতে না পারি, সেক্ষেত্রে ২২ ডিসেম্বর ফলাফল ঘোষণা করা সম্ভব হবে না। এর পরে বড়দিন এবং নববর্ষ চলে আসবে। সেক্ষেত্রে, নির্বাচন পরবর্তী বছরের জন্য পিছিয়ে দেওয়া হবে।"
যদিও কমিশনের কয়েকটি সূত্র অবশ্য জানিয়েছে যে বিষয়টি এখনও বিচারাধীন রয়েছে বিবেচনা করে বৃহস্পতিবার নির্বাচনী বিজ্ঞপ্তি জারি করা হতে পারে। এক নির্বাচনী আধিকারিকের মতে, "আদালত যেহেতু নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি সম্পর্কে কিছু জানায়নি, তাই এতে কোন নিষেধাজ্ঞা নেই।" যদিও এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার।
- with IANS Inputs
SUPPORT PEOPLE'S REPORTER
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন

