'১০৫% দিচ্ছি, আর কত চাই? আমায় পছন্দ না হলে মুণ্ডু কেটে নিন' - বকেয়া DA প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী

মমতা ব্যানার্জি বলেন, "আমায় পছন্দ না হলে, আমার মুণ্ডু কেটে নিন, এর থেকে বেশি আমার থেকে পাবেন না। বাম আমলে ডিএ বাকি ছিল। ৩৪ বছর ডিএ দেয়নি। আমরা ৯৯ শতাংশ ও ৬ শতাংশ মিলিয়ে মোট ১০৫ শতাংশ ডিএ দিচ্ছি"।
মমতা ব্যানার্জি
মমতা ব্যানার্জিছবি - মমতা ব্যানার্জির ফেসবুক পেজ
Published on

ডিএ নিয়ে ফের বিতর্কিত মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। বিধানসভায় দাঁড়িয়ে বকেয়া মহার্ঘ ভাতা না দেওয়ার কারণ তুলে ধরলেন তিনি। স্পষ্ট ভাষায় জানালেন এর থেকে বেশি দিতে পারবেন না তিনি। পাশাপাশি সরকারি কর্মচারীদেরকে দেওয়া একাধিক সুযোগ সুবিধার কথা তুলে ধরে কটাক্ষও করেছেন তিনি।

বকেয়া ডিএ-র দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে ধর্না ও অনশন চালাচ্ছেন সরকারি কর্মচারীদের একাংশ। এর আগে কর্মবিরতিও পালন করেছিলেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সদস্যরা। ১০ মার্চ ধর্মঘট ডেকেছেন তাঁরা। তার আগে বিধানসভায় মহার্ঘ ভাতা নিয়ে মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী।

সোমবার বিধানসভায় মমতা ব্যানার্জি বলেন, "১০৫ শতাংশ ডিএ দিচ্ছি, আর কত চাই? কত হলে সন্তুষ্ট হবেন? আমায় পছন্দ না হলে, আমার মুণ্ডু কেটে নিন, এর থেকে বেশি আমার থেকে পাবেন না। বাম আমলে ডিএ বাকি ছিল। ৩৪ বছর ডিএ দেয়নি। আমরা ৯৯ শতাংশ ও ৬ শতাংশ মিলিয়ে মোট ১০৫ শতাংশ ডিএ দিচ্ছি"।

তিনি আরও বলেন, অন্য কোনো রাজ্যে পেনশন দেওয়া হয় না। আমার পেনশন দেওয়ার জন্য খরচ হয় ২০ হাজার কোটি টাকা। পেনশন না দিলে ওই টাকা বেঁচে যেত। কেন্দ্রের বেতন কাঠামো ও রাজ্যের বেতন কাঠামো আলাদা। আর সরকারি কর্মীদের আমরা ১০ বছরে একবার বিদেশ ভ্রমণের ব্যবস্থা করে দিয়েছি। তারা চাইলে থাইল্যান্ড, বাংলাদেশ ঘুরতে যেতে পারে। আর এখন আগের থেকে অনেক ছুটি বাড়িয়ে দিয়েছি।

মমতা ব্যানার্জিকে পাল্টা কটাক্ষ করেছেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সদস্যরা। তাঁদের দাবি, 'মুখ্যমন্ত্রী অযথা ভুল তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছেন। মুখ্যমন্ত্রী এই ধরণের কথা বলতে পারেন না। উনি একবার হাইকোর্টে যাচ্ছেন, একবার সুপ্রিম কোর্টে যাচ্ছেন। আমাদের দাবি পূরণ করছেন না।'

মমতা ব্যানার্জি
'CBI কি মমতাকে ভয় পাচ্ছে?' ২৪ ঘন্টার মধ্যে মোদীকে পাল্টা চিঠি শুভেন্দুর
মমতা ব্যানার্জি
Siliguri: মর্মান্তিক! বালি তুলতে গিয়ে ধসে মৃত্যু ২ শিশু শ্রমিক সহ ৩ জনের, ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা

SUPPORT PEOPLE'S REPORTER

ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন

logo
People's Reporter
www.peoplesreporter.in