

ফের তৃণমূল সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জীর স্ত্রী রুজিরা নারুলা ব্যানার্জী ও শ্যালিকা মেনকা গম্ভীরের বিরুদ্ধে সোনা পাচারকাণ্ডে সক্রিয় হয়ে উঠেছে কাস্টমস বা শুল্ক দপ্তর। তদন্তের গতি প্রকৃতি নিয়ে শুক্রবার কাস্টমসের ওপর হতাশাও প্রকাশ করে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ।
কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির ‘অতিসক্রিয়তা’ নিয়ে বার বার ক্ষোভ প্রকাশ করেন রাজ্যের শাসক দলের নেতা মন্ত্রীরা। তৃণমূল নেতারা যা নিয়ে বিজেপিকেও দায়ী করেন। ফের একবার রুজিরা ব্যানার্জী ও মেনকা গম্ভীরের সোনা পাচারকান্ডে তদন্তে নামলেন কাস্টমসের আধিকারিকেরা। শুক্রবার আদালতে এই মামলার শুনানি ছিল।
সওয়াল জবাব চলাকালীন বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্য ও বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চ কেন্দ্রীয় সংস্থাকে বলে, দু’বছর ধরে তদন্ত করছেন! এখনও শেষ হলো না? কাস্টমসের আইনজীবী জানান, তদন্ত প্রক্রিয়া চলছে। তবে বিশেষ কিছু কাজের জন্য অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল আসতে পারেননি। মামলার শুনানি যেন পিছিয়ে দেওয়া হয়। আদালত সূত্রে খবর, পরবর্তী শুনানি ডিসেম্বরে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে কলকাতা বিমানবন্দরে ২ কেজি সোনা সহ অভিষেকের স্ত্রী ও শ্যালিকাকে আটক করা হয়। তাঁরা ব্যাঙ্কক থেকে ফিরছিলেন। গভীর রাতেই বিমানবন্দরে বিধাননগর থানার উচ্চপদস্থ কর্তারা গিয়ে রুজিরা নারুলা ব্যানার্জী ও মেনকা গম্ভীরকে ভিআইপি পরিচয় দিয়ে ছাড়িয়ে আনেন। তাঁদের বিরুদ্ধে পরে কাস্টমস অভিযোগ দায়ের করলেও আদালতের তরফ থেকে কিছুটা হলেও স্বস্তি পান। আগামীদিনে তাঁরা পুনরায় স্বস্তি পাবেন নাকি শাস্তি তা আদালতই বলবে।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন