১০ দিনের মধ্যে মেটাতে হবে আইনজীবীর বকেয়া - রাজ্য সরকারকে নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

সম্প্রতি, প্রাপ্য বকেয়া না পাওয়ায় রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেছিলেন আইনজীবী মনজিৎ সিংহ। তাঁর অভিযোগ, রাজ্য সরকারের থেকে তাঁর প্রাপ্য প্রায় ৫৫ লক্ষ টাকা তিনি এখনও পাননি।
কলকাতা হাইকোর্ট
কলকাতা হাইকোর্টফাইল চিত্র

রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের তাঁদের প্রাপ্য মহার্ঘ্যভাতা না দেওয়ার জন্য ইতিমধ্যেই কলকাতা হাইকোর্টে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তার মধ্যেই এবার হাইকোর্টের প্রাক্তন সরকারি আইনজীবীকে (পাবলিক প্রসিকিউটর) আগামী ১০ দিনের মধ্যে বকেয়া ফেরত দেওয়ার জন্য রাজ্যকে নির্দেশ দিল আদালত।

বুধবার, কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি মৌসুমী ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্য সরকারকে এই নির্দেশ দিয়েছে। নির্দেশ অনুযায়ী, সরকারি আইনজীবী মনজিৎ সিংহকে তাঁর বকেয়ার একটা অংশ হিসেবে সাড়ে ১৪ লক্ষ টাকা অবিলম্বে দিতে হবে রাজ্যকে। বাকি বকেয়া সরকার কীভাবে পরিশোধ করবে তা নিয়ে দুই সপ্তাহ পরে আবার শুনানি হবে। আদালত জানিয়েছে, রাজ্য সরকারের হয়ে যে আইনজীবীরা মামলা লড়েছেন, তাঁদের প্রাপ্য অর্থ মেটানো রাজ্য সরকারের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।

সম্প্রতি, প্রাপ্য বকেয়া না পাওয়ায় রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেছিলেন আইনজীবী মনজিৎ সিংহ। তাঁর অভিযোগ, রাজ্য সরকারের হয়ে শত শত মামলা লড়লেও প্রাপ্য অর্থ পাননি তিনি। বার বার আবেদন জানালেও কোনও লাভ হয়নি। সেই মামলাগুলির জন্য বকেয়া অর্থ দিচ্ছে না রাজ্য।

তাঁর আরও অভিযোগ, প্রাপ্য বকেয়া চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছিলেন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দফতরে। চিঠির প্রতিলিপিও পাঠিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। কিন্তু তারপরেও কোনও সুরাহা হয়নি। বাধ্য হয়ে শেষ পর্যন্ত তিনি হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন। এবার তাঁর আবেদনে সাড়া দিয়েছে আদালত।

২০১৩ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত হাইকোর্টে পাবলিক প্রসিকিউটরের দায়িত্ব পালন করেছিলেন আইনজীবী মনজিৎ সিংহ। আদালতে তিনি জানান, রাজ্য সরকারের থেকে তাঁর প্রাপ্য প্রায় ৫৫ লক্ষ টাকা তিনি এখনও পাননি। এমনকি, ২০১৮ থেকে মামলার ‘ফিজ’ বাবদ পাওনা টাকাও তিনি পাননি।

এ ব্যাপারে রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটকের এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

-With IANS Inputs

কলকাতা হাইকোর্ট
বিধায়ক জুনের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে মন্ত্রী মাহাতোকে - নির্দেশ ক্ষুব্ধ মমতার

GOOGLE NEWS-এ আমাদের ফলো করুন

Related Stories

No stories found.
People's Reporter
www.peoplesreporter.in