

প্রায় ২৮ হাজার শূন্যপদ রয়েছে কর্পোরেশনে। কলকাতায় লক্ষ লক্ষ বেকার ছেলে মেয়ে। কিন্তু গত ১১ বছর ধরে কলকাতা কর্পোরেশনে স্থায়ী চাকরি প্রায় হয়নি বললেই চলে। পুরনিগম সূত্রে এমনই তথ্য জানতে পারা গিয়েছে। শুধু দলীয় লোকজনকে অস্থায়ী পদে চাকরি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠছে। ফলে পুর পরিষেবা দিতেও হিমশিম খাচ্ছে কলকাতা কর্পোরেশন।
টক-টু-কেএমসি অনুষ্ঠানে প্রতি শনিবার কলকাতা পুরসভার প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম নিজেই সব অভিযোগ শোনেন। তবে কর মূল্যায়নের সমস্যা, নিকাশি ব্যবস্থা, মশার তেল স্প্রে, অন্যান্য পরিষেবা দিতে ব্যর্থ হচ্ছে কর্পোরেশন। কারণ যোগ্য লোকের অভাব।
স্থানীয় কাউন্সিলরকে ফোন করে সমস্যার সমাধান না মিললে বরো কো-অর্ডিনেটরকে ফোন করা হয়। সেখানেও সমস্যার সমাধান না হলে তখন প্রশাসকের দ্বারস্থ হন সবাই। কিন্তু তাতেও লাভ খুব বেশি হচ্ছে না বলেই অভিযোগ। সামান্য কাজের জন্য সপ্তাহের পর সপ্তাহ ঘুরতে হয়। যত দিন যাচ্ছে শূন্যপদ তত বাড়ছে। স্থায়ী কর্মীদের সংখ্যা কমতে কমতে তলানিতে ঠেকেছে।
কর্পোরেশন সূত্রের খবর, কর্পোরেশনের অনুমোদিত স্থায়ী পদের সংখ্যা ৪৬ হাজার ৪৩০। বিপুল সংখ্যক শূন্যপদে কর্মরতদের উপর কাজের চাপ বেড়েছে। বেশকিছু ক্ষেত্রেই ১০০ দিনের কর্মীদের দিয়ে সামাল দেওয়া হয় মাত্র। স্থায়ী কর্মীদের একজনকে চার-পাঁচটি ওয়ার্ডে দায়িত্ব সামলাতে হয়। বৃষ্টিতে জল জমলে তখন সেই বিভাগ বাস্তব পরিস্থিতি বুঝতে পারে।
প্রসঙ্গত, স্থায়ী কর্মীদের বেতন রাজ্য সরকার দিলেও অস্থায়ী কর্মীদের বেতন দেওয়া হয় কলকাতা কর্পোরেশন থেকে।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন