Uttarakhand: সম্প্রীতির অনন্য নজির, বাবার শেষ ইচ্ছাপূরণ করতে ইদগাহকে জমিদান দুই হিন্দু বোনের

উত্তরাখন্ডের উধম সিংহ নগরের কাশিপুর শহরের বাসিন্দা ব্রজনন্দন প্রসাদ রস্তোগী ২০০৩ সালে মারা যান। মারা যাওয়ার আগে তিনি প্রতিবেশী ও নিকট আত্মীয়দেরকে জানান তাঁর নিজের জমি তিনি ইদগাহের জন্য দান করতে চান।
Uttarakhand: সম্প্রীতির অনন্য নজির, বাবার শেষ ইচ্ছাপূরণ করতে ইদগাহকে জমিদান দুই হিন্দু বোনের
প্রতীকী ছবি

সম্প্রীতির এক অতুলনীয় নজির গড়লেন দুই বোন। প্রয়াত বাবার শেষ ইচ্ছাপূরণ করতে ইদগাহকে প্রায় দেড় কোটিরও বেশি মূল্যের জমি দান করলেন হিন্দু পরিবারের দুই কন্যা সরোজ এবং অনিতা। এই খবর ভাইরাল হতেই সারা ভারত থেকে প্রশংসা কুড়িয়েছেন উত্তরাখন্ডের কাশিপুর শহরের এই দুই বোন।

উত্তরাখন্ডের উধম সিংহ নগরের কাশিপুর শহরের বাসিন্দা ব্রজনন্দন প্রসাদ রস্তোগী ২০০৩ সালে মারা যান। মারা যাওয়ার আগে তিনি প্রতিবেশী ও নিকট আত্মীয়দের জানান তাঁর নিজের চার বিঘা জমি তিনি ইদগাহের জন্য দান করতে চান। তাঁর সেই ইচ্ছাই পূরণ করলেন দুই মেয়ে।

স্থানীয় সূত্রের খবর, দুই মেয়েকে নিজের এই ইচ্ছা জানানোর সুযোগ পাননি ব্রজনন্দন প্রসাদ রস্তোগী। তার আগেই তিনি মারা যান। মৃত ব্রজনন্দন বাবুর আত্মীয়রাই দুই মেয়েকে জানান বাবার শেষ ইচ্ছার কথা। এই কথা শোনার পর দুই বোন, ভাই রাকেশ রস্তোগীর সাথে কথা বলে বিভিন্ন আইনি প্রক্রিয়া শুরু করার সিদ্ধান্ত নেয়। অবশেষে সম্প্রতি সেই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়। বাবার ইচ্ছা অনুযায়ী ইদগাহকে দেড় কোটি টাকার চার বিঘা কৃষিজমি দান করলেন তাঁরা।

বাবার মৃত্যুর পর তাঁর ইচ্ছা পূরণের জন্য এতো টাকা মূল্যের জমি দান, তাও অন্য ধর্মের মানুষের জন্য, সাম্প্রতিক কালে এই ঘটনা বিরল। ছেলে রাকেশকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “বাবার শেষ ইচ্ছাকে সম্মান জানানো আমাদের কর্তব্য। আমার বোনেরা এমন কাজ করেছে যা বাবার আত্মাকে শান্তি দেবে”।

এই বিষয়ে ইদগাহ কমিটির এক কর্মকর্তা বলেন দুই বোন যেন সাম্প্রদায়িক ঐক্যের নিদর্শন। ইদগাহ কমিটি এই দুই বোন ও তাদের পরিবারের কাছে চির কৃতজ্ঞ থাকবে। তাঁরা এও বলেন যে খুব তাড়াতাড়ি দুই বোনকে সম্মানিত করবেন তাঁরা।

Uttarakhand: সম্প্রীতির অনন্য নজির, বাবার শেষ ইচ্ছাপূরণ করতে ইদগাহকে জমিদান দুই হিন্দু বোনের
Goa: 'গোয়ায় তৃণমূলের লজ্জাজনক হারের দায় প্রশান্ত কিশোরের' - দল ছাড়লেন তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি

GOOGLE NEWS-এ আমাদের ফলো করুন

Related Stories

No stories found.