Kerala: শশী থারুরকে নিয়ে অস্বস্তিতে কংগ্রেস, কেরালার নেতাদের সতর্কবার্তা হাইকমান্ডের

সম্প্রতি প্রকাশ্যে, আগামী বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের তরফ থেকে কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেছিলেন শশী থারুর। যার বিরোধিতা করেন দলের অপর এক সাংসদ হিবি ইডেন।
শশী থারুর ও মল্লিকার্জুন খাড়গে
শশী থারুর ও মল্লিকার্জুন খাড়গেফাইল ছবি, গ্রাফিক্স - আকাশ

২০২৬ সালে কেরালায় বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে দলীয় দ্বন্দ্ব যাতে প্রকাশ্যে না আসে, সেজন্য তিরুবনন্তপুরমের সাংসদ শশী থারুর সহ কেরালার সকল শীর্ষ নেতাকে সতর্ক করেছে কংগ্রেস হাইকমান্ড।   

এ বিষয়ে সর্বভারতীয় কংগ্রেস কমিটির (AICC) নেতাদের পর্যবেক্ষণ, এখনই পদক্ষেপ না নিলে, দেরি হয়ে যেতে পারে। হাতের বাইরে চলে যেতে পারে পরিস্থিতি। দলের আভ্যন্তরীণ বিষয় সংবাদ মাধ্যম বা সোশ্যাল মিডিয়ায় যাতে না আসে, তা নিশ্চিত করার জন্য কেরালা কংগ্রেসের ইনচার্জ তথা দলের সাধারণ সম্পাদক তারিক আনোয়ারকে দায়িত্ব দিয়েছে কংগ্রেস।

একইসঙ্গে, সাংসদ শশী থারুর সহ কেরালার শীর্ষ নেতাদের মধ্যে সৌজন্য বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছে কংগ্রেস হাইকমান্ড।

সম্প্রতি প্রকাশ্যে, আগামী বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের তরফ থেকে কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেছিলেন শশী থারুর। স্থানীয় মালায়লম সংবাদ মাধ্যমে তিনি জানান, 'কেরালার মুখ্যমন্ত্রীর পদে বসতে আমি তৈরি। কিন্তু মানুষের উপরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের বিষয়টি নির্ভর করছে।'

থারুরের এই মন্তব্যের পরেই কংগ্রেস সাংসদ হিবি ইডেন বলেন, 'দল ঠিক করবে কে ভোটে দাঁড়াবেন। একজন এমপি এই নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না। রাজ্যের রাজনীতিতে তাঁর প্রয়োজনীয়তা কতটা সেটা দল সিদ্ধান্ত নেবে।'

একইসঙ্গে তিনি জানান, 'দলের তরফে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে কাকে প্রজেক্ট করা হবে তা নিয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। থারুরের ইচ্ছে থাকতেই পারে। কিন্তু দল এনিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি।'

এরপর, গত রবিবার, শশী থারুর জানান, 'আমি মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকায় থাকতে চাই না। এর চেয়ে বেশি কিছু বলব না।' তবে, কেরালায় মুখ্যমন্ত্রী পদ নিয়ে দলের অন্দরের বিরোধ সামনে আসতেই নড়েচড়ে বসেছে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। তাই সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জানা যাচ্ছে, 'রাজনৈতিক' কারণে সাংসদ শশী থারুরের সঙ্গে বিরোধ রয়েছে কেরালা কংগ্রেসের একাধিক শীর্ষ নেতার। যাদের মধ্যে রয়েছেন কেরালা কংগ্রেসের সভাপতি কে. সুধাকরণ, বিধানসভার বিরোধী নেতা ভিডি সাথিসান, রমেশ চেনিথালা এবং প্রাক্তন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী এ কে অ্যান্টনি। সকলেই শশী থারুরের সঙ্গে 'নিরাপদ দূরত্ব' বজায় রেখে চলেছেন।

একমাত্র রাজ্যের দুইবারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমেন চান্ডি নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রেখে চলেছেন।

শশী থারুর ও মল্লিকার্জুন খাড়গে
উন্নাও ধর্ষণ কাণ্ডে প্রাক্তন BJP MLA কুলদীপ সেঙ্গারকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিল্লি হাইকোর্টের

GOOGLE NEWS-এ আমাদের ফলো করুন

Related Stories

No stories found.
People's Reporter
www.peoplesreporter.in