'পুরানো পেনশন স্কিম' ফেরানোর দাবিতে যোগী রাজ্যে বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক শিক্ষক - সরকারী কর্মচারীদের

প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি সুশীল কুমার বলেন - "সরকার শুধু পাবলিক সেক্টর ইউনিটের বেসরকারিকরণই করছে না, সামাজিক নিরাপত্তার টাকাও শেয়ারবাজার ভিত্তিক সিস্টেমে দিচ্ছে।"
'পুরানো পেনশন স্কিম' ফেরানোর দাবিতে যোগী রাজ্যে বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক শিক্ষক - সরকারী কর্মচারীদের
গ্রাফিক্স - সুমিত্রা নন্দন

যোগী রাজ্যে বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দিয়েছে স্কুল শিক্ষক ও সরকারী কর্মচারীরা। ‘পুরানো পেনশন স্কিম’ (OPS) ফেরানো, চাকরিতে স্থায়ীকরণ সহ একাধিক দাবিতে বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দিয়েছেন তাঁরা। সূত্রের খবর, আগামী ২০ সেপ্টেম্বর, রাজ্যের প্রায় ৭৫ টি জেলায় এই বিক্ষোভ মিছিল সংঘটিত হবে।

এই বিক্ষোভ মিছিলে নেতৃত্ব দেবেন প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি সুশীল কুমার। নিউজক্লিক (NewsClick)-কে তিনি বলেন, ‘পুরানো পেনশন স্কিম পুনর্বহালের জন্য একাধিকবার অনুরোধ করা হয়েছে যোগী আদিত্যনাথ সরকারকে। তা কার্যকর না হওয়ায়, এই আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়েছে।’

‘পুরানো পেনশন স্কিম’ পুনর্বহালের পাশাপাশি বেতন বৃদ্ধি, সপ্তম বেতন কমিশনের সুপারিশ কার্যকর করা, শিক্ষা মিত্র (চুক্তিভিত্তিক শিক্ষক) এবং অনুদেশক (প্রশিক্ষক)-দের চাকরীতে স্থায়ী করণের দাবি জানিয়েছে শিক্ষক ও সরকারী কর্মচারীরা।

প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি সুশীল কুমার বলেন, ‘ইতিমধ্যে রাজস্থান এবং ছত্তিশগড় সরকার ‘পুরানো পেনশন স্কিম’ বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছে। সেক্ষেত্রে উত্তরপ্রদেশ সরকারেরও ওপিএস বাস্তবায়নে কোনো সমস্যা হওয়া উচিত নয়।’

জানা যাচ্ছে, ২০০৪ সালের পর যে সকল শিক্ষক ও সরকারি কর্মচারীরা নিয়োগ পেয়েছেন, তাঁরা OPS-এর আওতার বাইরে রয়েছেন। তাঁদের নতুন পেনশন স্কিম বা NPS-এর অধীনে অর্থ প্রদান করা হয়।

সুশীল কুমার দাবি করেন, ‘সব কিছুকে বেসরকারিকরণের একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ হল NPS। সরকার শুধু পাবলিক সেক্টর ইউনিটের বেসরকারিকরণই করছে না, সামাজিক নিরাপত্তার টাকাও শেয়ারবাজার ভিত্তিক সিস্টেমে দিচ্ছে। এটি ধীরে ধীরে সবকিছুকে ধ্বংস করে দেবে এবং পুরো দেশকে জগাখিচুড়ির মধ্যে ফেলে দেওয়া হবে।’

গত বছর ডিসেম্বরে, দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত এই দাবি পূরণের জন্য লখনউয়ের ইকো গার্ডেনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছিক শিক্ষক এবং অন্যান্য সরকারি কর্মচারীরা। সকলে আশা করেছিলেন, রাজ্য বাজেটে OPS ফিরিয়ে আনবে সরকার। কিন্তু, তা না হওয়ায় তাঁরা আবার আন্দোলনে নামতে বাধ্য হচ্ছেন।

নয়া আন্দোলন সম্পর্কে সুশীল কুমার বলেন, ‘২০ সেপ্টেম্বর, রাজ্যের সকল শিক্ষক ও সরকারি কর্মচারীরা জেলা সদরে জমায়েতবদ্ধ হবেন। এরপর তাঁরা জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি এবং মুখ্যমন্ত্রীর কাছে একটি স্মারকলিপি দেবেন।’ তিনি জানান, ‘১৫ নভেম্বর লখনউয়ে, বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ করবে রাজ্যের শিক্ষকরা।’

'পুরানো পেনশন স্কিম' ফেরানোর দাবিতে যোগী রাজ্যে বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক শিক্ষক - সরকারী কর্মচারীদের
Bharat Jodo Yatra: গত ৮ বছর দেশকে ভাগ করেছে BJP, সেই ক্ষতি পূরণের চেষ্টা করছে কংগ্রেস - রাহুল গান্ধী

GOOGLE NEWS-এ আমাদের ফলো করুন

Related Stories

No stories found.
People's Reporter
www.peoplesreporter.in