Odisha: রোগীদের দ্রুত সুস্থ করতে ICU-তে বাজবে ভক্তিমূলক ভজন! সিদ্ধান্ত হাসপাতালের
রোগীদের দ্রুত সেরে ওঠার জন্য এবার হাসপাতালের প্রতিটি আইসিইউতেই (Intensive Care Unit: ICU) বাজবে ভক্তিগীতি। এমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওড়িশার এক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। চিকিৎসা ক্ষেত্রে ‘মিউজিক থেরাপি’ বিষয়টি খুব একটা নতুন নয়। এর আগেও ভারতের একাধিক হাসপাতালে গুরুতর অসুস্থ রোগীকে দ্রুত সারিয়ে তুলতে এই থেরাপির সাহায্য নেওয়া হয়েছে। এবারে কটকের এসসিবি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালেও পাকাপাকিভাবে ‘মিউজিক থেরাপি’র বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
কটকের এসসিবি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সূত্রে খবর, হাসপাতালের স্বাস্থ্য আধিকারিকরা অনেকদিন ধরেই আইসিইউতে ভর্তি থাকা গুরুতর অসুস্থ রোগীদের একটি ভক্তিমূলক শান্ত পরিবেশের মধ্যে ‘মিউজিক থেরাপি’র মাধ্যমে সারিয়ে তোলার জন্য হাসপাতালে ধর্মীয় ভজন চালানোর আবেদন করেছেন। সম্প্রতি সেই আবেদন খতিয়ে দেখে কর্তৃপক্ষের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, এবার থেকে হাসপাতালের প্রতিটি আইসিইউতে ভক্তিমূলক ভজনের যন্ত্র সঙ্গীত (Instrumental Music) বাজানো হবে।
বুধবার স্বাস্থ্য আধিকারিকদের আবেদন মঞ্জুর করে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রোগীদের দ্রুত সেরা ওঠার ক্ষেত্রে এই পদক্ষেপ খুবই কার্যকরী হতে চলেছে। স্থানীয় এক সংবাদমাধ্যমকে ওই মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের উপাচার্য (VC) ডঃ অবিনাশ রাউত জানিয়েছেন, “হাসপাতালের আইসিইউ-র ভিতরে আমরা যদি একটু ভক্তিমূলক ভজনের যন্ত্র সঙ্গীত বাজাতে পারি, তাহলে সেটা রোগীদের দ্রুত সেরে ওঠার ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে। স্বাস্থ্য আধিকারিকদের এই সংক্রান্ত আবেদন খতিয়ে দেখে আমরা অবশেষে প্রতিটি আইসিইউ-এর ভিতরে ভজন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। খুব তাড়াতাড়ি এটা চালু করা হবে। সরকারী নিয়ম অনুযায়ী, খুব শিগগিরি এই সংক্রান্ত টেন্ডার ডাকা হবে।”
রোগ সারাতে ‘মিউজিক থেরাপি’র ব্যবহার একেবারেই নতুন নয়। ২০২০ সালে কোভিড অতিমারীর প্রথম পর্যায়ে গুজরাতের ভাদোদরার স্যার সায়াজিরাও জেনারেল (SSG) হাসপাতালে চিকিৎসার গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হিসেবে এই মিউজিক থেরাপি শুরু করা হয়েছিল। ল্যান্সেট-এর একটি রিপোর্টও এই বিষয়ে জানায়, ডিপ্রেশন বা মানসিক অবসাদ পূর্ণবয়স্ক মানুষের মধ্যে একটি খুবই সাধারণ রোগ। এবং অনেকসময় ডিপ্রেশন থেকেই অন্য একাধিক রোগের সূত্রপাত হয়। কিন্তু এই ডিপ্রেশন সারানোর ক্ষেত্রে ‘মিউজিক থেরাপি’ বিষয়টির প্রভাব একাধিকবার প্রমাণিত হয়েছে।
SUPPORT PEOPLE'S REPORTER
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন

