

‘কাঁওয়ার যাত্রা’ উপলক্ষ্যে উত্তরপ্রদেশের একাধিক জেলায় এক সপ্তাহ সমস্ত স্কুল-কলেজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন। মুজাফফরনগর, মীরাট, গাজিয়াবাদ এবং বাঘপাত জেলা প্রশাসন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
মুজাফফরনগরে ৩ আগস্ট থেকে ১০ আগস্ট পর্যন্ত সমস্ত স্কুল ও কলেজ বন্ধ থাকবে। মীরাট এবং গাজিয়াবাদে ৪ আগস্ট থেকে ১২ আগস্ট পর্যন্ত সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। বাঘপাত জেলাতেও ১২ আগস্ট পর্যন্ত স্কুল-কলেজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন। কাঁওয়ার তীর্থযাত্রীদের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে এবং জননিরাপত্তা বজায় রাখার লক্ষ্যে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার পাশাপাশি, 'কাঁওয়ার যাত্রাপথের ধারে অবস্থিত মাংসের দোকান ও রেস্তোরাঁগুলোও ১২ আগস্ট পর্যন্ত বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে মুজাফফরনগর প্রশাসন।
মিরাট প্রশাসন ৪ আগস্ট থেকে ১২ আগস্ট পর্যন্ত সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ভি কে সিং-এর জারি করা নির্দেশিকায় উত্তর প্রদেশ বোর্ড, সিবিএসই (CBSE), সিআইএসসিই (CISCE), মাদ্রাসা বোর্ড এবং অন্যান্য স্বীকৃত বোর্ডের আওতাধীন সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় এবং কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকেও এই আদেশের আওতাভুক্ত করা হয়েছে।
গাজিয়াবাদে ৪ আগস্ট থেকে ১২ আগস্ট পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকবে। এই নির্দেশ জেলার নার্সারি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত সমস্ত বোর্ডের স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় এবং কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
মুজাফফরনগর, মিরাট, গাজিয়াবাদের মতো বাঘপাত প্রশাসনও ৩ আগস্ট থেকে ১২আগস্ট পর্যন্ত জেলার সমস্তরকম সরকারি-বেসরকারি বিদ্যালয় বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এবছর ৩০ জুলাই কাঁওয়ার যাত্রা শুরু হয়েছে এবং ১১ আগস্ট তা শেষ হবে। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে কানওয়ার তীর্থযাত্রীদের সংখ্যা ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে। হরিদ্বার থেকে গঙ্গার জল এনে শিবের মাথায় ঢালেন ভক্তরা। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, জেলার মধ্য দিয়ে বিপুল সংখ্যক কাঁওয়ার তীর্থযাত্রীর যাতায়াত পরিস্থিতি পর্যালোচনা করার পরই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে বন্ধের নির্দেশ কঠোরভাবে মেনে চলতে এবং তীর্থযাত্রার সময় স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সাথে সমন্বয় বজায় রাখতে বলা হয়েছে। ভক্তদের অত্যধিক ভিড় সামাল দেওয়ার জন্য প্রধান শিব মন্দিরগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। মহিলা ভক্তদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ মন্দিরগুলোতে 'অ্যান্টি-রোমিও স্কোয়াড' মোতায়েন করা হয়েছে।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন