

বিহার নির্বাচন সংক্রান্ত প্রশান্ত কিশোরের জন সূরজ পার্টির আবেদন খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট। গত বছর নভেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত বিহারের নির্বাচনকে চ্যালেঞ্জ করেছিল জন সূরজ পার্টি। নির্বাচন বাতিল করে নতুন নির্বাচনের দাবি জানিয়েছিলেন তিনি।
বৃহস্পতিবার আদালতে দায়ের করা আবেদনে বলা হয়েছিল, নির্বাচনী নির্ঘণ্ট প্রকাশিত হবার পর নীতিশ কুমারের সরকার রাজ্যের সব মহিলাদের অ্যাকাউন্টে ১০ হাজার করে টাকা পাঠিয়ে নির্বাচনী বিধি ভঙ্গ করেছে। তাই এই নির্বাচন বাতিল করা হোক।
প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ শুক্রবার এই আবেদনটি শুনতে অস্বীকার করে। ক্ষুব্ধ প্রধান বিচারপতি আবেদনকারীর উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করেন, "জনগণ আপনাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আপনারা প্রচার পাওয়ার জন্য এখন এই বিচারিক মঞ্চ ব্যবহার করছেন?"
বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী জন সূরজের আইনজীবীদের কাছে জানতে চান, ‘’আপনারা কীভাবে এই ধরনের প্রশ্ন করতে পারেন?’’
এই আবেদনটি বিহার হাইকোর্টে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, সংবিধানের ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদের অধীনে দায়ের করা পিটিশনে জন সূরজের যুক্তি ছিল, নির্বাচনী আচরণবিধি বলবৎ থাকাকালীন প্রতি পরিবারের একজন মহিলাকে ১০,০০০ টাকা করে বিতরণ করা, একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের নীতিকে ক্ষুণ্ন করে।
আবেদনে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, তৎকালীন সরকার ২৫-৩৫ লক্ষ মহিলা ভোটারকে টাকা দিয়ে সুবিধা প্রদান করেছে এবং এটি ক্ষমতাসীন দলের দ্বারা 'দুর্নীতিমূলক কার্যকলাপ'-এর শামিল।
২০২৫ সালের নির্বাচনে জন সূরজ দল প্রথম ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে এবং শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়। ২৪৩টি আসনের মধ্যে ২৩৮টি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল তারা, কিন্তু একটিতেও জিততে পারেনি। এনডিএ শিবির জয়ী হয়েছে ২০২ আসনে এবং বিরোধী মহাজোট পেয়েছে ৩৫ আসন।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন