National Emblem: প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধন করা অশোক স্তম্ভ ‘বিকৃত’ - অভিযোগ বিরোধীদের
গ্রাফিক্স - সুমিত্রা নন্দন

National Emblem: প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধন করা অশোক স্তম্ভ ‘বিকৃত’ - অভিযোগ বিরোধীদের

সিপিআইএম সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি ট্যুইটারে লেখেন, প্রধানমন্ত্রী নতুন সংসদ ভবনের উপরে জাতীয় প্রতীক উন্মোচন করে আমাদের সংবিধানকে স্পষ্টভাবে লঙ্ঘন করেছেন।
Published on

সোমবার সংসদ ভবনের ছাদে ব্রোঞ্জের তৈরি নতুন অশোক স্তম্ভের উদ্বোধন করলেন নরেন্দ্র মোদী। এই অশোক স্তম্ভ ‘বিকৃত’ বলে দাবি করলেন একাধিক বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতারা। তাঁদের অভিযোগ, অশোক স্তম্ভের সিংহকে বিকৃত করে পেশীবহুল ও ক্ষিপ্র করা হয়েছে। যা সংবিধান অবমাননার সমান।

কংগ্রেস সাংসদ জয়রাম রমেশ অভিযোগ করেন, “সারনাথে অশোকের স্তম্ভে সিংহের চরিত্র ও প্রকৃতিকে সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তন করা ভারতের জাতীয় প্রতীকের নির্লজ্জ অপমান ছাড়া আর কিছুই নয়!”

সিপিআইএম সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি ট্যুইটারে লেখেন, “প্রধানমন্ত্রী নতুন সংসদ ভবনের উপরে জাতীয় প্রতীক উন্মোচন করে আমাদের সংবিধানকে স্পষ্টভাবে লঙ্ঘন করেছেন। সংবিধান দ্ব্যর্থহীনভাবে আমাদের গণতন্ত্রকে ৩টি শাখায় ভাগ করে। সেগুলি হল শাসন বিভাগ, আইন বিভাগ এবং বিচার বিভাগ”।

অশোক স্তম্ভ উদ্বোধনের নিন্দা করেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী। তিনি বলেন, “নরেন্দ্র মোদীজী অনুগ্রহ করে সিংহের মুখটি পর্যবেক্ষণ করুন, এটি মহান সারনাথের মূর্তি। তাই অনুগ্রহ করে এটি পরীক্ষা করুন এবং যদি প্রয়োজন হয় তাহলে সংশোধন করুন”।

ইতিহাসবিদ সৈয়দ ইরফান হাবিবও ট্যুইটারে কেন্দ্রীয় সরকারের নিন্দায় সরব হয়েছেন। তিনি বলেন “আমাদের জাতীয় প্রতীকের ওপর হস্তক্ষেপ করা সম্পূর্ণ অপ্রয়োজনীয় এবং তা এড়ানো উচিত। কেন আমাদের সিংহদের এমন রাগী ও ভয়ানক দেখতে হবে? এগুলি অশোকের সিংহ। যেগুলি ১৯৫০ সালে নেওয়া হয়েছিল প্রতীক হিসাবে”।

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রায় ২০ ফুটের উচ্চতা বিশিষ্ট অশোক স্তম্ভটি উদ্বোধন করেন। যার ওজন প্রায় ৯৫০০ কেজি। স্তম্ভটি পুরো ব্রোঞ্জ দিয়ে বানানো হয়েছে।

National Emblem: প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধন করা অশোক স্তম্ভ ‘বিকৃত’ - অভিযোগ বিরোধীদের
পিথাগোরাসের উপপাদ্য ও নিউটনের মাধ্যাকর্ষণ শক্তি ভুয়ো - দাবি কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রীর

SUPPORT PEOPLE'S REPORTER

ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন

logo
People's Reporter
www.peoplesreporter.in