

মধ্যপ্রদেশে গণধর্ষণের শিকার হলেন ৯০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা। রাজ্যের খান্ডোয়ায় সম্প্রতি এই ঘটনা ঘটেছে। ওই সময় বাড়িতে তিনি একাই ছিলেন। জেলা সদর থেকে প্রায় ৫৫ কিলোমিটার দূরের এক গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। পরে আহত বৃদ্ধাকে চিকিৎসার জন্য জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আপাতত তিনি বিপন্মুক্ত বলে জানা গেছে।
ভয়ংকর এই ঘটনাটি ঘটেছে বিজেপি শাসিত মধ্যপ্রদেশের খান্ডোয়া জেলায়। সংবাদসংস্থার খবর অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাতে চার মুখোশধারী যুবক গভীর রাতে ওই বৃদ্ধার বাড়িতে প্রবেশ করে তাঁকে গণধর্ষণ করে। ঘৃণ্য এবং উদ্বেগজনক এই ঘটনার পরেই ঘটনাটি খতিয়ে দেখতে এক বিশেষ তদন্তকারী দল (Special Investigation Team - SIT) গঠন করা হয়েছে। মধ্যপ্রদেশ পুলিশ শনিবার এই ঘটনার কথা নিশ্চিত করেছে।
ঘটনার পরের দিন আহত বৃদ্ধা অন্য গ্রামে থাকা তাঁর মেয়েকে পুরো বিষয়টি জানান। এরপর তাঁর মেয়ে দ্রুত তাঁকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করেন। জানা গেছে, নিজের গ্রামের কুঁড়েঘরে থাকেন ওই বৃদ্ধা।
ঘটনা প্রসঙ্গে খান্ডোয়ার পুলিশ সুপার মনোজ রাই জানিয়েছেন, হাসপাতালে পৌঁছানোর পর চিকিৎসকরা বৃদ্ধার মেয়েকে পুলিশের কাছে অভিযোগে দায়েরের কথা জানালে তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পুলিশের পক্ষ থেকে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার গণধর্ষণের সঙ্গে সম্পর্কিত ৭০ ধারার অধীনে এক মামলা দায়ের করা হয়। অপরাধীদের খুঁজে বের করতে তিনটি দল তৈরি করে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে ১০ হাজার টাকার পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে।
হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন অনুসারে, পুনাসার সাব ডিভিশনাল পুলিশ অফিসার মনোহর গাউলি জানিয়েছেন, গণধর্ষণের পর ওই বৃদ্ধাকে একটি কুয়োয় ফেলে মেরে ফেলার চেষ্টা করে দুষ্কৃতীরা। কিন্তু ওই সময় গ্রামবাসীদের আওয়াজ পেয়ে তারা বৃদ্ধাকে ফেলে পালিয়ে যায়। ঘটনার পর তাঁর মেয়ে এলেও প্রাথমিকভাবে তারা সামাজিক বিড়ম্বনার ভয়ে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করতে চায়নি। কিন্তু বৃদ্ধার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে হাসাপাতালে নিয়ে যেতে হয় এবং সেখানেই হাসপাতাল কর্মীদের পরামর্শে তারা পুলিশের দ্বারস্থ হন।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন