Kashmir: একের পর এক হামলা, আতঙ্কে ভূস্বর্গ ছেড়ে নিজ ভূমে ফিরছেন পরিযায়ী শ্রমিকরা

লকডাউন শুরু হতেই কাজ হারিয়ে বহু পরিযায়ী শ্রমিককে বাড়ি ফিরে আসতে হয়েছিল। তবে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসতে যে যার মতো কাশ্মীরে ফিরেছিলেন রুজি রোজগারের টানে। আশা ছিল সব ঠিক হয়ে যাবে।
ঘরে ফিরছেন পরিযায়ী শ্রমিকরা
ঘরে ফিরছেন পরিযায়ী শ্রমিকরাছবি - সংগৃহীত
Published on

ভূ-স্বর্গে একের পর এক হামলার পর উদ্বেগ বেড়েছে সেখানকার স্থানীয় বাসিন্দা থেকে শুরু করে পরিযায়ী শ্রমিকদের। হিংসার জেরে আতঙ্কে দিন কাটছে তাঁদের। পরিযায়ী শ্রমিকরা এখন চাইছেন, পুরোপুরি শীতের মরশুম আসার আগেই কাশ্মীর ছেড়ে নিজ নিজ ভূমে ফিরে যেতে। তবে তাঁরা একথা অস্বীকার করছেন না যে, এই পরিস্থিতিতেও সেখানকার স্থানীয় মানুষ যেভাবে তাঁদের সাহায্য করেছেন, আশ্রয় দিয়েছেন, কাছে টেনে নিয়েছেন, তা তাঁরা মনে রাখবেন।

করোনা আবহে লকডাউন শুরু হতেই কাজ হারিয়ে বহু পরিযায়ী শ্রমিককে বাড়ি ফিরে আসতে হয়েছিল। তবে করোনা পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসতে সেই পরিস্থিতি অনেকটাই কেটে গিয়েছে। আবার যে যার মতো কাশ্মীরে ফিরেছেন রুজি রোজগারের টানে। আশা ছিল সব ঠিক হয়ে যাবে। পুরোনো কর্মস্থল বা নতুন জায়গায় যে যার মতো করে গুছিয়ে নিয়ে পরিযায়ী শ্রমিকরা আবার কর্মজীবন শুরু করেছিলেন।

কিন্তু এখন এক অন্য সংকট তৈরি হয়েছে। কাশ্মীরে এখন যত্রতত্র ভিনরাজ্যের শ্রমিকদের ওপর হামলা চালাচ্ছে জঙ্গিরা। তাই নিজেদের বাঁচাতে উপত্যকা ছেড়ে পালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা। শ্রমিকদের ভিড় বাড়ছে শ্রীনগরের ট্যুরিস্ট রিসেপশন সেন্টারে। তাঁদের কথায়, ‘আমরা এখন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছি। কাশ্মীরের সর্বত্র এমনই পরিস্থিতি। জম্মু যাওয়ার টিকিট নিতে এসেছি। জম্মু থেকে উত্তরপ্রদেশে নিজের বাড়ি চলে যাব।’

বেশিরভাগ পরিযায়ী শ্রমিকেরই বক্তব্য, পরিবার খুবই উদ্বেগে দিন কাটাচ্ছে। আত্মীয়রাই কাশ্মীর ছেড়ে চলে আসারই পরামর্শ দিয়েছেন। তবে ফিরতে চাইলেই তা কি হয়? ট্যুরিস্ট রিসেপশন সেন্টারে বাস না মেলায় অনেক পরিযায়ী শ্রমিকই ভিড় করছেন রেলস্টেশনে।

সাধারণ নাগরিক ছাড়াও গত সোমবার থেকে জঙ্গিদের সঙ্গে সংঘর্ষে ন'জন জওয়ান ও আধিকারিক নিহত হয়েছেন। পুঞ্চ ও রাজৌরির গভীর জঙ্গলে গত ন'দিন ধরে সেনা ও জঙ্গিদের গুলির লড়াই চলছে। ২২ অক্টোবর অমিত শাহর কাশ্মীরে যাওয়ার কথা।

SUPPORT PEOPLE'S REPORTER

ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন

Related Stories

No stories found.
logo
People's Reporter
www.peoplesreporter.in