

১৭ এপ্রিল, লখনউ- ফের যোগী রাজ্য। ফের উত্তরপ্রদেশ। আবারও এক বিতর্ক। এক করোনা রোগীকে সহযোগিতার বদলে 'মরে যান' শুনতে হল! করোনা আক্রান্তদের জন্য সে-রাজ্যে আগেই চালু হয় করোনাভাইরাস কম্যান্ড সেন্টার। সেখান থেকে হোম আইসোলেশনে থাকাকালীন প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হয়, পাশাপাধি ওষুধও দেওয়া হয়। করোনায় আক্রান্ত হয়ে লখনউয়ের বাসিন্দা সন্তোষ কুমার সিং সেখানেই ফোন করেছিলেন। যে অভিজ্ঞতা তাঁর হল, তা হয়ত দুঃস্বপ্নেও ভাবনায় ছিল না।
১০ এপ্রিল সন্তোষ বাবু ও তাঁর স্ত্রী করোনা পরীক্ষা করালে দুজনেরই রিপোর্ট পজিটিভ আসে। এরপর সেই কম্যান্ড সেন্টারে ফোন করলে তাঁকে পরে ফোন করা হবে বলে জানান হয়। ওইদিনই সকাল ৮.১৪ মিনিটে ফোন আসে। তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয়, 'আপনি কি হোম আইসোলেশন অ্যাপ ডাউনলোড করেছেন?' জবাবে সন্তোষ বাবু জানান, এমন তথ্য তো তাঁকে জানানো হয়নি। এরপরই যিনি ফোন করেছিলেন, তিনি বলেন, 'তাহলে মরে যান।' বিস্মিত সন্তোষবাবু ওই কথোপকথনের রেকর্ডিং দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ও লখনউয়ের জেলাশাসককে অভিযোগ জানিয়ে চিঠি লিখেছেন।
শুক্রবার উত্তরপ্রদেশে লকডাউনের কথা ঘোষণা করেছে যোগীর সরকার। নোটিশে জানানো হয়েছে, আগামী রবিবার রাজ্যের সব জেলায় লকডাউন হবে। পাশাপাশি মাস্ক না পরলেই এক হাজার টাকা জরিমানা করা হবে। উত্তরপ্রদেশে প্রতিদিন প্রায় ৭৯.১০ শতাংশ হারে করোনায় আক্রান্তের ঘটনা ঘটছে।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন