Sonia Gandhi: আদালতে স্বস্তি সোনিয়ার! খারিজ নাগরিকত্ব পাওয়ার আগেই ভোটার তালিকায় নাম সংক্রান্ত মামলা

People's Reporter: অমিত মালব্য এক্স হ্যান্ডেলে দাবি করেন, ১৯৮০ সালেই সোনিয়া গান্ধী নয়াদিল্লি কেন্দ্রের ভোটার তালিকায় নাম তুলেছিলেন। অথচ ১৯৮৩ সালে ভারতীয় নাগরিকত্ব পান তিনি।
সোনিয়া গান্ধী
সোনিয়া গান্ধীফাইল ছবি - সংগৃহীত
Published on

ভারতের নাগরিকত্ব পাওয়ার আগেই কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীর নাম নাকি দেশের ভোটার তালিকায় ওঠে গিয়েছিল! বিজেপির তরফে তোলা এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছিল প্রবল রাজনৈতিক বিতর্ক। জল গড়ায় আদালত পর্যন্ত। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এই অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের করা মামলা খারিজ করে দিল দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত। ফলে আপাতত বড়সড় স্বস্তি পেলেন সোনিয়া গান্ধী।

গত মাসে বিজেপির আইটি সেলের সর্বভারতীয় প্রধান অমিত মালব্য নিজের এক্স হ্যান্ডেলে দাবি করেন, ১৯৮০ সালে সোনিয়া গান্ধী নয়াদিল্লি কেন্দ্রের ভোটার তালিকায় নাম তুলেছিলেন। অথচ তিনি ভারতীয় নাগরিকত্ব পান ১৯৮৩ সালে। মালব্যের অভিযোগ অনুযায়ী, সে সময় নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আঁতাত করে তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল সোনিয়া গান্ধীর নাম। তার প্রমাণ হিসেবে ১৯৮০ সালের ভোটার তালিকার একটি ছবিও পোস্ট করেছিলেন তিনি। যদিও সেই নথির সত্যতা যাচাই করেনি পিপলস রিপোর্টার।

এক্সে মালব্য লিখেছিলেন, "এটি স্পষ্টত আইনের লঙ্ঘন। ভোটার হিসাবে নিবন্ধিত হতে গেলে একজন ব্যক্তিকে অবশ্যই ভারতীয় নাগরিক হতে হয়। ১৯৮২ সালে বিতর্ক ও সমালোচনার জেরে সনিয়ার নাম তালিকা থেকে মুছে ফেলা হয়েছিল। ১৯৮৩ সালে ভারতীয় নাগরিকত্ব পাওয়ার পর তাঁর নাম ফের তালিকাভুক্ত হয়"।

মালব্যের পোস্টের পর থেকেই সরব হয় বিজেপি। অভিযোগ ওঠে, নাগরিকত্ব পাওয়ার আগেই ভোটার তালিকায় নাম থাকা নির্বাচনী বিধির সরাসরি লঙ্ঘন। সেই ভিত্তিতেই আদালতে কংগ্রেস নেত্রীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়। অভিযোগকারীর বক্তব্য ছিল, ১৯৮৩ সালের এপ্রিল পর্যন্ত নাগরিক না হয়েও ১৯৮০ সালের জানুয়ারি থেকে ভোটার তালিকাভুক্ত ছিলেন সোনিয়া। তবে বৃহস্পতিবার আদালত মামলাকারীর আবেদন খারিজ করে দেয়।

১৯৪৬ সালে ইটালিতে জন্ম সোনিয়ার। পিতৃদত্ত নাম ছিল সোনিয়া মাইনো। রাজীব গান্ধীর সঙ্গে ১৯৬৮ সালে বিবাহের পর তিনি গান্ধী পরিবারের অংশ হয়ে ওঠেন। বিজেপির দাবি ছিল, ১৯৮০ থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত তাঁর নাম ভোটার তালিকায় ছিল। কিন্তু আদালতের সিদ্ধান্তে এই মামলা থেকে আপাতত মুক্ত হলেন তিনি।

সোনিয়া গান্ধী
'অর্থের বিনিময়ে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে' - E20 পেট্রোল বিতর্কে বিরোধীদের কটাক্ষ গডকড়ির

SUPPORT PEOPLE'S REPORTER

ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন

Related Stories

No stories found.
logo
People's Reporter
www.peoplesreporter.in