Israel vs Palestine: খাবারের জন্য জড়ো হওয়া ভুখা মানুষের ওপর ইজরায়েলি বাহিনীর নির্বিচার গুলি, মৃত ১১২
খাবারের জন্য জড়ো হওয়া ভুখা, নিরস্ত্র মানুষের ওপর গুলি চালনার গুরুতর অভিযোগ উঠলো ইজরায়েলের বিরুদ্ধে। যে ঘটনায় ১০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়েছে। নিহতেরা সকলেই ত্রাণ বোঝাই ট্রাকের কাছে খাবারের জন্য জড়ো হয়েছিলেন। সংবাদমাধ্যমের সূত্র অনুসারে প্রাথমিকভাবে ইজরায়েল গুলি চালনার কথা অস্বীকার করলেও পরবর্তী সময়ে গুলিচালনার কথা স্বীকার করেছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেই আশঙ্কা। গোটা ঘটনাকে ‘হত্যাকাণ্ড’ বলে তীব্র নিন্দা করেছে প্যালেস্টাইন।
যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় এখন মানুষের বেঁচে থাকার জন্য একমাত্র ভরসা ত্রাণ। মাঝেমধ্যেই বিভিন্ন দেশ থেকে ত্রাণ পাঠানো হয়। সেইমতো বৃহস্পতিবার ত্রাণ বোঝাই একটি ট্রাক পৌঁছয় গাজার পশ্চিমে নাবুলসি এলাকায়। প্রায় কয়েকশো মানুষ সেখানে পৌঁছায় ত্রাণের আশায়। সেই সময় আমজনতাকে লক্ষ করে এলোপাথাড়ি গুলি চালায় ইজরায়েলের সেনা।
জানা গেছে, এলোপাথাড়ি গুলিতে প্রায় ১১২ জন নিহত হয়েছেন, এবং প্রায় ৫০০-র বেশি মানুষ আহত। তবে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কারণ যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজাতে চিকিৎসা করার মতো পরিকাঠামো নেই। ফলে বহু মানুষ চিকিৎসা না পেয়েই প্রাণ হারাতে পারেন।
এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে প্যালেস্টাইন। অন্যদিকে, গুলি চালনার ঘটনাকে স্বীকার করে নিয়েছে ইজরায়েল। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সেনা কর্তা জানিয়েছেন, ত্রাণ বোঝাই ট্রাকটি সেনা ট্যাঙ্কের খুব কাছে এসে গিয়েছিল। তাই বিশাল মানুষের ভিড় দেখে ভয় পেয়েছিলেন সেনাকর্মীরা। আত্মরক্ষা করতেই বাধ্য হয়ে গুলি চালিয়েছে ইজরায়েলি ফৌজ।
যদিও এই ঘটনার পর ইজরায়েলের পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে দাবি করা হয়েছিল, ভিড়ের মধ্যে হুড়োহুড়ি করে ত্রাণ নিতে গিয়ে পদপিষ্ট হয়েছে গাজার আমজনতা।
গাজার স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে খবর, গুলিবৃষ্টিতে ১০৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনাকে হত্যাকাণ্ড বলে অভিহিত করেছে গাজার প্রশাসন।
গত বছরের ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইজরায়েল প্যালেস্টাইন যুদ্ধে এখনও পর্যন্ত ৩০ হাজারের বেশি প্যালেস্তিনিয়র মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য দপ্তর। মৃতদের মধ্যে অধিকাংশই মহিলা ও শিশু।
SUPPORT PEOPLE'S REPORTER
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন

