Climate Change: জাপান জুড়ে তাপপ্রবাহ, একমাসে হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত ৭ হাজারেও বেশি
ব্যাপক তাপপ্রবাহে জর্জরিত জাপান। তরতরিয়ে বাড়ছে হিটস্ট্রোকে আক্রান্তের সংখ্যা। শুধুমাত্র গত জুন মাসেই দেশ জুড়ে মোট ৭২৩৫ জন হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। শনিবার জাপান সরকারের তরফে প্রকাশিত এক রিপোর্টে উঠে এসেছে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য। এই তথ্য ইতিমধ্যেই বিশেষজ্ঞ মহলের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।
চলতি বছরে গোটা পৃথিবী জুড়ে অতিরিক্ত তাপপ্রবাহের ফলে তাপমাত্রায় অস্বাভাবিক বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছেন, চলতি জুলাই মাস ‘মানব সভ্যতার ইতিহাসে’ সবচেয়ে উষ্ণতম মাস। অতিরিক্ত তাপপ্রবাহের সেই মারণ কোপ থেকে বাদ যায়নি উদীয়মান সূর্যের দেশ জাপানও। অস্বাভাবিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও তাপপ্রবাহের জেরে গোটা জাপানে বাড়ছে হিটস্ট্রোকে আক্রান্তের সংখ্যা।
শনিবার জাপানের দমকল ও বিপর্যয় মোকাবিলা সংস্থা জানিয়েছে, গত জুন মাসে দেশ জুড়ে হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালের শরণাপন্ন হয়েছেন ৭২৩৫ জন জাপানবাসী। ২০১০ সাল থেকে এই সংক্রান্ত হিসেব রাখা শুরু হওয়ার পর গত জুনের হিটস্ট্রোকে আক্রান্তের ওই সংখ্যা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বলে জানা গিয়েছে। এর আগে গত বছরের জুন মাসে ১৫ হাজারেও বেশি মানুষ হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছিলেন।
রিপোর্ট বলছে, আক্রান্তদের মধ্যে ২৫৬৭ জন ঘরের মধ্যে বসে থাকা অবস্থাতেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। এবং ১৩২৮ জন মানুষ পথ চলতে চলতে অসুস্থ হন। এই রিপোর্টের সঙ্গে জাপানের দমকল ও বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের পক্ষ থেকে দেশের নাগরিকদের আরও সাবধান হতে বলা হয়েছে। অতিরিক্ত তাপপ্রবাহ থেকে বাঁচার জন্য এয়ার কন্ডিশনারের সাহায্য নিতে বলে হয়েছে এবং হিটস্ট্রোকের প্রবণতা কমাতে প্রচুর পরিমাণে জল পানের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
জাপানের জাতীয় আবহাওয়া দফতর এই প্রসঙ্গে জানিয়েছে, গোটা জাপান দ্বীপপুঞ্জকে কেন্দ্র করে একটি উচ্চচাপ বলয় তৈরি হয়েছে। যার ফলে সকাল থেকেই গোটা দেশের তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করছে এবং বেলা বাড়ার সঙ্গে সীমা ছাড়াচ্ছে পারদের সূচক। ইদানিংকালে কুমাগায়া শহরে ৩৯ ডিগ্রি এবং কিয়োতো, সাইতামা শহরগুলিতে ৩৯ থেকে ৪০ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। মাঝেমধ্যে পারদের সূচক ছাড়িয়ে যাচ্ছে অস্বাভাবিক ৪০ ডিগ্রির মাত্রাও। আবহাওয়াবিদরা আগামী ৪ আগস্ট পর্যন্ত দেশ জুড়ে মাত্রাতিরিক্ত তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করেছেন।
SUPPORT PEOPLE'S REPORTER
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন
