

কয়েকদিন আগেই নয়ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন। তারপর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতে শুরু করেছিল সেই বিমানবন্দরের ভবিষ্যতের ছবি। বিজেপি নেতা থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরাও নয়ডা বিমানবন্দরের মডেল সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করেছিলেন।
ইতিমধ্যেই জানা গেছে সেই ছবি আদৌ নয়ডা বিমান বন্দরের নয়। বরং চীনের বেজিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ছবি। উল্লেখ্য, চীনের বেজিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরটি ২০১৯ সালে চালু হয়েছে।
অবশ্য ছবি বিভ্রাট এই প্রথম নয়। এর আগে ‘মা উড়ালপুলের’ ছবি উত্তরপ্রদেশের সরকারি বিজ্ঞাপনে দেখা গিয়েছিল। সেই নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি। সেই রেশ মিটতে না মিটতে আবার একটি বিতর্ক। বেশ অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছে বিজেপি।
অন্যদিকে, চীনের সরকারি সংবাদসংস্থা সিজিটিএন –এর সাংবাদিক শেন শিওয়েই এই নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। বিজেপির সিনিয়র নেতা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের টুইটগুলির একটি কোলাজ শেয়ার করে লেখেন, “ভারত সরকারের মন্ত্রীদের নিজেদের কাজের হিসেব দেখাতে গিয়ে বেজিংয়ের দাকশিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ছবি ব্যবহার করতে হচ্ছে দেখে চমকে গেলাম।”
প্রসঙ্গত, এই প্রকল্পটি নিয়ে বিজেপি নেতারা বরাবরই উৎসাহিত ছিলেন। তাছাড়া সামনেই উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচন। বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার দাবি অনুযায়ী, নয়ডা বিমানবন্দর, ১৩০০ হেক্টরেরও বেশি জায়গা জুড়ে বিস্তৃত, যা এশিয়ার মধ্যে বৃহত্তম হবে। এটি বছরে প্রায় ১.২ কোটি যাত্রীদের পরিষেবা দেওয়ার ক্ষমতা রাখবে।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন