সরকারি স্কুলে বিনামূল্যে স্যানিটারি ন্যাপকিনের ব্যবস্থা করতে হবে - কেন্দ্রকে নোটিশ সুপ্রিম কোর্টের

এই মর্মে সুপ্রিম কোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন মধ্যপ্রদেশের চিকিৎসক তথা সমাজকর্মী জয়া ঠাকুর। মামলার পরবর্তী শুনানি হবে জানুয়ারী মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে।
প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি

দেশের সমস্ত সরকারি স্কুলগুলিতে বিনামূল্যে স্যানিটারি ন্যাপকিনের (Sanitary Napkins) ব্যবস্থা রাখা উচিত। এই মর্মে সুপ্রিম কোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন মধ্যপ্রদেশের চিকিৎসক তথা সমাজকর্মী জয়া ঠাকুর। মামলার শুনানির পর সোমবার শীর্ষ আদালত কেন্দ্র, রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে নোটিশ পাঠিয়েছে। মামলার পরবর্তী শুনানি হবে জানুয়ারী মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে।

সোমবার শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় এবং বিচারপতি পি এস নরসিমার বেঞ্চে এই মামলার শুনানি ছিল। একইসঙ্গে এই মামলায় সহযোগিতার জন্য সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতাকে আহ্বান জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতিদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, সরকার এবং সরকার পোষিত স্কুলগুলিতে ছাত্রীদের স্বাস্থ্যবিধি এবং পরিচ্ছন্নতা নিয়ে আবেদনকারী গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলেছেন।

জয়া ঠাকুর তাঁর আবেদনে স্যানিটারি ন্যাপকিন সংক্রান্ত যে বিষয়গুলির উল্লেখ করেছেন :-

১) ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর জন্য সরকারি স্কুলগুলিতে বিনামূল্যে স্যানিটারি ন্যাপকিনের ব্যবস্থা করা উচিত। এই বিষয়ে শীর্ষ আদালতের নির্দেশের আর্জি জানান তিনি।

২) স্কুলগুলিতে ছাত্রীদের জন্য আলাদা শৌচাগার এবং তা নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার দাবি জানিয়েছেন চিকিৎসক।

৩) এর পাশাপাশি ত্রিস্তরীয় সচেতনতা কর্মসূচীর আবেদন জানিয়েছেন তিনি। যার মাধ্যমে ঋতুস্রাব সংক্রান্ত ছুঁৎমার্গ ভুলে সেই সময় আরও বেশি করে স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন হতে পারবে ছাত্রীরা।

৪) তথাকথিত প্রত্যন্ত এলাকায় সঠিক স্যানিটেশন পরিষেবা, ভর্তুকিযুক্ত বা বিনামূল্যে মহিলাদের স্যানিটারি ন্যাপকিন প্রদান এবং ঋতুস্রাব সংক্রান্ত বর্জ্য নিষ্কাশনের ক্ষেত্রে সঠিক পদ্ধতি মানার আবেদন জানিয়েছেন জয়া।

উপরিউক্ত বিষয়গুলির পাশাপাশি আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পিটিশনে উল্লেখ করেছেন চিকিৎসক। তাঁর কথায়, 'মেইন্সট্রুয়াল হাইজিন ম্যানেজমেন্ট' (MHM) বা ঋতুস্রাবের সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, অসচেতনতা বা স্যানিটারি ন্যাপকিনের অভাবে স্কুলছুট ছাত্রীদের সংখ্যা বাড়ছে।

এই বিষয়ে মামলাকারীর আইনজীবী বরুণ ঠাকুর গতকাল আদালতে একটি রিপোর্ট পেশ করেন। যেখানে বলা হয়েছে, সঠিক এমএইচএম-র অভাবে বছরে ২ কোটি ৩০ লক্ষ ছাত্রীর স্কুলছুট হওয়ার ঘটনা ঘটে। অধিকাংশ স্কুল বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সঠিক শৌচাগার না থাকায় মারাত্মক সমস্যার মুখে পড়তে হয় তাদের।

প্রতীকী ছবি
Greater Noida: বয়স্কদের হতাশা বাড়ছে, গ্রেটার নয়দায় ২০২২-এ আত্মঘাতী ৩২৩
প্রতীকী ছবি
বিশ্বকাপের মাঝেই কাতারে চোখরাঙাচ্ছে 'ক্যামেল ফ্লু', আবার কি অতিমারী?

GOOGLE NEWS-এ আমাদের ফলো করুন

Related Stories

No stories found.
People's Reporter
www.peoplesreporter.in