Pandemic: চিন্তা বাড়াচ্ছে দুই ভাইরাস, আগামী দিনে হতে পারে অতিমারি! আশঙ্কা বিজ্ঞানীদের

People's Reporter: দুই ভাইরাস চিন্তা বাড়াচ্ছে বিজ্ঞানীদের। এই দুটি হল ইনফ্লুয়েঞ্জা ডি ভাইরাস এবং ক্যানাইন করোনাভাইরাস। পশুর শরীর থেকে এই ভাইরাসগুলি মানুষের শরীরে ছড়িয়ে রোগ সৃষ্টি করতে পারে।
Pandemic: চিন্তা বাড়াচ্ছে দুই ভাইরাস, আগামী দিনে হতে পারে অতিমারি! আশঙ্কা বিজ্ঞানীদের
প্রতীকী ছবি
Published on

আগামী দিনে কোন কোন রোগ অতিমারির কারণ হতে পারে, তার একটি তালিকা প্রস্তুত করেছেন বিজ্ঞানীরা। দুই ভাইরাস চিন্তা বাড়াচ্ছে বিজ্ঞানীদের। এই দুই ভাইরাস মানুষের জন্য ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই দুই ভাইরাস হল ইনফ্লুয়েঞ্জা ডি ভাইরাস এবং ক্যানাইন করোনাভাইরাস। দুটিই পশুবাহিত।

মূলত পশুর শরীর থেকেই ছড়ায় ইনফ্লুয়েঞ্জা ডি এবং ক্যানাইন করোনাভাইরাস। গবেষকদের আশঙ্কা, আগামী দিনে পশুর শরীর থেকে এই ভাইরাসগুলি মানুষের শরীরে ছড়িয়ে রোগ সৃষ্টি করতে পারে এবং তা অতিমারির আকার ধারণ করতে পারে। কারণ, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্যাথোজেনের (ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক বা পরজীবীর মতো অণুজীব, যা মানুষের শরীরে ঢুকে রোগ সৃষ্টি করে) আগ্রাসন বেড়েছে। গত চার দশকে ১৮টি নতুন প্যাথোজেন চিহ্নিত করা হয়েছে। বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, যে কোনও সময় যে কোনও মহামারি ছড়িয়ে পড়তে পারে।

গবাদি পশু যেমন শূকর, ভেড়ার শরীরে পাওয়া যায় ইনফ্লুয়েঞ্জা ডি ভাইরাস। ২০১১ সালে সন্ধান পাওয়া যায় এই ভাইরাসের। তবে সেই সময় মানুষের শরীরে এর বিস্তার লক্ষ্য করা যায়নি। পরে মানুষের শরীরেও এর উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। হার্ভার্ড মেডিক্যাল হেলথ ও ফ্লরিডা কলেজ অফ পাবলিক হেলথের গবেষকেরা জানিয়েছেন, ইউরোপ ও আমেরিকার নানা দেশে পশুখামারে কাজ করেন যাঁরা, তাঁদের শরীরে এই ভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া গিয়েছে।  এটি সরাসরি স্পর্শ বা বাতাসের জলীয় কণার মাধ্যমে ছড়াতে পারে। ধীরে ধীরে এটি ফুসফুসের কোষ নষ্ট করতে শুরু করে। যত দিনে শ্বাসকষ্ট শুরু হবে, তত দিনে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়বে সারা শরীরে। যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, তাঁদের ক্ষেত্রে এটি প্রাণঘাতী হতে পারে।

অন্যদিকে কুকুর ও বিড়ালের শরীরে পাওয়া যায় ক্যানাইন করোনাভাইরাস। অন্যান্য বন্য প্রাণীর শরীরেও এর স্ট্রেন পাওয়া গিয়েছে। এটি SARS-CoV-2 করোনাভাইরাসের মতোই সংক্রামক। এই ক্যানাইন করোনা সাধারণত প্রাণীদের মধ্যে ডায়রিয়া বা পেটের সমস্যা তৈরি করে, কিন্তু এর নতুন রূপ মানুষের শরীরে ঢুকে সংক্রমণ ঘটানোর ক্ষমতা অর্জন করে ফেলেছে। ২০১৭ সালে ফ্লোরিডা থেকে হাইতি ভ্রমণকারী এক ব্যক্তির শরীরে এই ভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া যায়। জ্বর ও শ্বাসকষ্ট ছিল ওই ব্যক্তির। এই ভাইরাসও ধীরে ধীরে মানুষের ফুসফুস নষ্ট করে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হয়েছে।

ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ অফ পাবলিক হেলথ অ্যান্ড হেলথ প্রফেশনস-এর গবেষণা অধ্যাপক ডঃ জন লেডনিকি জানিয়েছেন, ''এই ভাইরাসগুলো থেকে সংক্রমণ প্রতিরোধ বা এর মোকাবিলায় খুব কমই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। যদি এই ভাইরাসগুলো সহজে মানুষ থেকে মানুষে সংক্রমিত হওয়ার ক্ষমতা অর্জন করে ফেলে, তাহলে মহামারী হতে পারে।''

Pandemic: চিন্তা বাড়াচ্ছে দুই ভাইরাস, আগামী দিনে হতে পারে অতিমারি! আশঙ্কা বিজ্ঞানীদের
Nipah Virus: রাজ্যে নিপা ভাইরাসের চোখরাঙানি! উপসর্গ কী? কীভাবে সতর্ক থাকবেন? কিছু জরুরী তথ্য

SUPPORT PEOPLE'S REPORTER

ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন

Related Stories

No stories found.
logo
People's Reporter
www.peoplesreporter.in