

উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের দুই নার্স নিপা ভাইরাসে (Nipah Virus) আক্রান্ত সন্দেহে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। দু’জনের অবস্থা সঙ্কটজনক। ভেন্টিলেশনে রেখে তাঁদের চিকিৎসা চলছে। তাঁদের নমুনা পুনেতে পাঠানো হয়েছে। এই অবস্থায় রাজ্যজুড়ে বাড়ছে উদ্বেগ। নিপা ভাইরাস সংক্রান্ত কিছু তথ্য -
নিপা ভাইরাস আক্রান্তের উপসর্গগুলি কী কী?
নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির প্রথমে সাধারণ জ্বর হয়। এরপর মাথাব্যথা, গলা ব্যথা, বমি, ডায়রিয়ার মতো উপসর্গগুলি দেখা যায়। তীব্র শ্বাসকষ্টে ভুগতে থাকেন রোগী। শুরু হয় খিঁচুনিও। যদি রোগী আচ্ছন্ন হয়ে যান, ভুল বকা শুরু করেন, কাউকে চিনতে না পারেন, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব উপযুক্ত পরিষেবা আছে এমন হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করতে হবে। মস্তিষ্কে প্রদাহ (এনসেফেলাইটিস), হৃদযন্ত্রে প্রদাহ (মায়কারডাইটিস), ফুসফুসে প্রদাহ (এ আর ডি এস) ইত্যাদি লক্ষণও দেখা যায়। অনেক সময় ২৪–৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রোগী কোমায়ও চলে যেতে পারেন।
এই রোগে মৃত্যুহার কেমন?
মৃত্যুহার অনেকটাই বেশি। ৪০% থেকে ৭৫% এর মধ্যে।
সংক্রমণ ঠেকাতে কী করবেন?
এই রোগের কোনো নির্দিষ্ট কার্যকরী টিকা নেই বা ওষুধ নেই। রোগীকে সাধারণত উপসর্গ ভিত্তিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। অন্যান্য যেসব প্রতিষেধক ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে সেগুলি হল: (১) সাবান জল বা স্যানিটাইজার ব্যবহার; (২) মাস্কের ব্যবহার; (৩) বাদুড় বা অন্যান্য পশুপাখির দাঁত বসানো বা আধ খাওয়া ফল না খাওয়া; (৪) ফল হওয়ার আগে ভালো করে ধুয়ে নেওয়া; (৫) তাল বা খেজুর গাছের টাটকা রস না খাওয়া বা ফুটিয়ে খাওয়া ইত্যাদি। এটি একটি জুনটিক ডিজিজ যেটি মূলত ফ্রুট ব্যাট জাতীয় বাদুড়ের লালা, মল মূত্র থেকে ছড়ায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)-র তথ্য অনুযায়ী, শুয়োরও এই ভাইরাসের উৎস হতে পারে।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন