Nipah Virus: রাজ্যে নিপা ভাইরাস আক্রান্ত সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি ২ নার্স, অবস্থা সঙ্কটজনক

People's Reporter: প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ দিয়েছেন মুখ্যসচিব। যেমন, মাস্ক পরা, কোনও কিছু খাওয়ার আগে ভালো করে হাত ধোওয়া, ফল বা সব্জি জাতীয় কিছু খেলে তা ভাল করে ধুয়ে নেওয়া ইত্যাদি।
Nipah Virus: রাজ্যে নিপা ভাইরাস আক্রান্ত সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি ২ নার্স, অবস্থা সঙ্কটজনক
Published on

রাজ্যে নিপা ভাইরাসের সন্ধান! উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের দুই নার্সকে এই ভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। নিশ্চিত হওয়ার জন্য তাঁদের নমুনা সংগ্রহ করে পুনেতে পাঠানো হয়েছে। সোমবার রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী এই বিষয়টি জানান।

ওই দুই নার্স যে হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, সেখানেই তাঁদের চিকিৎসা চলছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, তাঁদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাঁদের ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে। কী ভাবে দুই নার্স নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হলেন, তা খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন নন্দিনী চক্রবর্তী। কিছু দিন আগে কাজের সূত্রে এই দু’জন বর্ধমান গিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। সেখানে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া গত কয়েকদিনে তাঁরা কাদের সংস্পর্শে এসেছিলেন সেবিষয়েও খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। তিন জেলা জুড়ে ‘কন্ট্যাক্ট টেস্টিং’-এর কাজ চলছে - উত্তর ২৪ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান এবং নদিয়া।

মুখ্যসচিব জানিয়েছেন, গোটা বিষয়টির উপর নজর রাখছে রাজ্য সরকার। চিকিৎসক এবং বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকরা ইতিমধ্যেই বৈঠক করেছেন। তিনটি হেল্পলাইন নম্বর চালু করেছে সরকার - (০৩৩) ২৩৩৩ ০১৮০, ৯৮৩৬০৪৬২১২ এবং ৯৮৭৪৭০৮৮৫৮।

আতঙ্কিত না-হয়ে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ দিয়েছেন মুখ্যসচিব। যেমন, মাস্ক পরা, কোনও কিছু খাওয়ার আগে ভালো করে হাত ধোওয়া, ফল বা সব্জি জাতীয় কিছু খেলে তা ভাল করে ধুয়ে নেওয়া ইত্যাদি।

নিপা ভাইরাসের উৎস মূলত বাদুড়। সেই কারণে বাদুড় যা খায়, সেই সব জিনিস এড়িয়ে চলা ভাল। বাদুড়ের আধখাওয়া বা আঁচড় দেওয়া ফলের সাথে ভালো ফল মিশে থাকলে সেখানে থেকে ছড়াতে পারে সংক্রমণ। এছাড়া আক্রান্তের ব্যবহৃত বিছানা, পোশাক বা অন্য জিনিসপত্র থেকেও সংক্রমণ ছড়াতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)-র তথ্য অনুযায়ী, শুয়োরও এই ভাইরাসের উৎস হতে পারে।

নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির প্রথমে সাধারণ জ্বর হয়। এরপর শুরু হয় মাথাব্যথা, গলা ব্যথা, বমি। তীব্র শ্বাসকষ্টে ভুগতে থাকেন রোগী। শুরু হয় খিঁচুনিও। অনেক সময় ২৪–৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রোগী কোমায়ও চলে যেতে পারেন। নিপা ভাইরাসে মৃত্যুহার ৪০-৭০ শতাংশ। আপাতত এই ভাইরাসের কোনও টিকা আবিষ্কার হয়নি।

SUPPORT PEOPLE'S REPORTER

ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন

Related Stories

No stories found.
logo
People's Reporter
www.peoplesreporter.in