

কলকাতায় কনসার্ট করতে এসে এবার মেজাজ হারালেন গায়ক সোনু নিগম। ৯ ফেব্রুয়ারি, রবিবার রাজারহাটের অ্যাকোয়াটিকায় বসেছিল আসর। দর্শকদের ভিড়ে ঠাসা ছিল গোটা মাঠ। স্বভঙ্গিমায় গান করছিলেন গায়ক। তবে কিছুক্ষণ বাদেই দর্শকদের উপর মেজাজ হারান সোনু নিগম। পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে বিরক্ত হয়ে চিৎকার করে দর্শকদের উদ্দেশ্যে বলেন, “যদি দাঁড়াতে হয়, গিয়ে ভোটে দাঁড়ান”।
হঠাৎ কেন মেজাজ হারালেন গায়ক? রবিবার নির্ধারিত সময়েই মঞ্চে উঠেছিলেন গায়ক। পরনে ছিল সবুজ স্যুট। স্বভঙ্গিমায় একের পর এক গান করতে থাকেন তিনি। কিন্তু গায়ককে সামনে থেকে দেখার জন্য উদগ্রীব হয়ে ওঠেন দর্শকেরা। আসন ছেড়ে বারবার সামনের দিকে চলে আসতে থাকেন তাঁরা। বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তার ফলে বেজায় চটে যান গায়ক।
কলকাতা কনর্সাটের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেখানে সোনুকে মঞ্চে দাঁড়িয়ে দর্শকদের ইঙ্গিত করে বলতে শোনা যায়, “আপনাদের যদি দাঁড়াতে ইচ্ছে হয়, তবে যান না ভোটে দাঁড়ান। দয়া করে এখন বসুন। আমার সময় নষ্ট হচ্ছে। কাট অফ টাইম চলে আসবে”। এরপরেও কেউ কথা না শুনলে রীতিমতো চিৎকার করে গায়ক বলেন, “জলদি বসো, বেরিয়ে যাও, জায়গা খালি করো। এই জায়গাটা সম্পূর্ণ খালি করো”।
সেই ভিডিও সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হতেই কয়েকজন ভক্ত প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। কনসার্টের খারাপ ব্যবস্থাপনা নিয়ে সমালোচনা করে একজন মন্তব্য করেন, “এতটাই খারাপ ব্যবস্থাপনা যে, সোনু স্যারকে নিজেই হস্তক্ষেপ করতে হচ্ছে। এটা খুবই লজ্জাজনক!”
আর একজন লিখেছেন, “সোনু স্যার বাধ্য হয়েছে এটা করতে। কারণ তিনি জানেন এই ধরণের ব্যবস্থাপণা ও নিরাপত্তার কারণে কেকে-র সঙ্গে কী ঘটেছিল। আত্মনিরাপত্তার জন্য অনুষ্ঠান চালানোর সময় এটাই করতে হবে”।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন