

ইতিহাস গড়ে সোনা জিতলেন নীরজ চোপড়া। অলিম্পিক্সের ইতিহাসে প্রথম ভারতীয় হিসেবে ট্র্যাক এন্ড ফিল্ডের কোনো ইভেন্টে পদক জিতলেন নীরজ। ৮৭.৫৮ মিটার জ্যাভলিন ছুঁড়ে নীরজের সোনা জয়ের সাথে সাথেই এক লাফে টোকিও অলিম্পিক্সে পদক জয়ের তালিকায় ৪৭ তম স্থানে উঠে এলো ভারত। সেইসঙ্গে ভারতের ঝুলিতে এসে গেলো ৭ টি পদক। ২০১২ সালের লন্ডন অলিম্পিক্সের সাফল্যকে টপকে অলিম্পিক্সের ইতিহাসে ভারতের সবচেয়ে সেরা প্রদর্শন এলো টোকিওতে। ভারত জিতেছে একটি সোনা, দুটি রূপো এবং চারটি ব্রোঞ্জ।
এর আগে পর্যন্ত ভারত অলিম্পিক্সের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি পদক জিতেছিলো ২০১২ লন্ডন অলিম্পিক্সে। দুটি রূপো এবং চারটি ব্রোঞ্জ নিয়ে মোট ছয়টি পদক এসেছিলো ভারতে।লন্ডন অলিম্পিক্সে পদক জিতেছিলেন বিজয় কুমার, সুশীল কুমার, সাইনা নেওহাল , গগন নারাং, যোগেশ্বর দত্ত, মেরি কম। লন্ডনে ভারতের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন ৮৩ জন।
২০১৬ রিও অলিম্পিক্সে ভারত মোট ১১৭ জন অ্যাথলিট পাঠায়। তবে রিওতে মাত্র দুটি পদক ঘরে আসে ভারতের। লন্ডন এবং রিওতে সোনা অধরাই থাকে। টোকিও অলিম্পিক্সে অন্তত দুই সংখ্যার পদক জয়ের আশায় সবচেয়ে বেশি ১২৭ জন অ্যাথলিট পাঠানো হয়। কিন্তু শ্যুটিং ও তিরন্দাজীতে চরম ব্যর্থতার জন্য সেই স্বপ্ন ভঙ্গ হয়। অনেকগুলি পদক জয়ের খুব কাছে এসেও ব্যর্থ হয় ভারতীয় তারকারা। তবে ৭ টি পদক জিতে অলিম্পিক্সের ইতিহাসে ভারত তাদের সবচেয়ে ভালো প্রদর্শনের নজির রেখেছে।
টোকিওতে ভারতকে প্রথম পদক এনে দেন মীরাবাঈ চানু। ভারোত্তলনে রূপো জেতেন তিনি। দ্বিতীয় পদকটি আসে পিভি সিন্ধুর হাত ধরে। রিওতে রূপো জয়ী সিন্ধু এনে দেন ব্রোঞ্জ। এরপর লাভলিনা বরগোহাঁই বক্সিংয়ে এবং পুরুষ হকি দল জেতেন ব্রোঞ্জ। এরপর রবি দাহিয়া কুস্তিতে রূপো এনে দেন ভারতকে। অবশেষে শনিবার বজরং পুনিয়ার ব্রোঞ্জ জয়ের পরেই দেশকে সোনার স্বাদ এনে দেন নীরজ চোপড়া।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন