Tokyo Olympics: করোনা সংক্রমণে গেমস থেকে ছিটকে গেলেন আমেরিকান টেনিস তারকা কোকো গফ

বিশ্ব র‍্যাঙ্কিং-এ ২৫ নম্বর তারকা গফ সম্প্রতি করোনা সংক্রমিত হয়েছেন। এর পরেই আগামী ২৩ জুলাই থেকে শুরু হওয়া টোকিও অলিম্পিক্স থেকে তিনি নাম প্রত্যাহার করে নেন।
কোকো গফ
কোকো গফফাইল ছবি, কোকো গফ-এর ট্যুইটার হ্যান্ডেলের সৌজন্যে
Published on: 

করোনা সংক্রমণের জেরে অলিম্পিক থেকে ছিটকে গেলেন মার্কিন টেনিস তারকা কোকো গফ। বিশ্ব র‍্যাঙ্কিং-এ ২৫ নম্বর তারকা গফ সম্প্রতি করোনা সংক্রমিত হয়েছেন। এর পরেই আগামী ২৩ জুলাই থেকে শুরু হওয়া টোকিও অলিম্পিক্স থেকে তিনি নাম প্রত্যাহার করে নেন।

রবিবার ট্যুইটারে এক বার্তায় ১৭ বছর বয়সী কোকো গফ নিজেই তাঁর সংক্রমণের কথা এবং টোকিও অলিম্পিক্স থেকে নাম প্রত্যাহারের কথা জানিয়েছেন। এই বছর ফ্রেঞ্চ ওপেনের কোয়ার্টার ফাইনাল এবং উইম্বলডনের চতুর্থ রাউন্ডে প্রবেশের পর দ্রুত তিনি র‍্যাঙ্কিং-এ ওপরের দিকে উঠে আসেন।

টোকিও অলিম্পিক্সে মহিলাদের সিঙ্গলস এবং ডাবলসে অংশ নেবার কথা ছিলো গফের। ডাবলসে তাঁর পার্টনার ছিলেন নিকোলে মেলিকার। টোকিও অলিম্পিক্সে ১২ সদস্যের আমেরিকান টেনিস দলের তিনি সদস্য ছিলেন। উল্লেখ্য, এবারের অলিম্পিক্সে আমেরিকান টেনিস দলে সেরেনা বা ভেনাস উইলিয়ামস – দুজনের কেউই নেই। আমেরিকান মহিলা টিমে আছেন জেনিফার ব্র্যাডি, জেসিকা পেগুলা এবং অ্যালিসন রিস্কে। পুরুষদের দলে আছেন তন্ময় পাল, ফ্রান্সেস টিয়াফো, টেনি সান্ডগ্রেন এবং মারকোস গিরোন। এছাড়াও এই টিমে আছেন রাজীব রাম, অস্টিন ক্রাজিয়েক, বেথানি মাটেক স্যান্ডস।

কোকো গফ তাঁর ট্যুইট বার্তায় জানিয়েছেন, কোভিড পরীক্ষায় আমার পজিটিভ এসেছে এবং এই খবর জানাতে গিয়ে আমি খুবই হতাশ যে আমি টোকিও অলিম্পিকে অংশ নিতে পারবো না। অলিম্পিক্সে আমেরিকার প্রতিনিধিত্ব করা আমার কাছে স্বপ্ন ছিলো। আমি আশা করবো ভবিষ্যতে আমার কাছে আরও সুযোগ আসবে। আমি টিম ইউএসএ-কে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই এবং তাদের সাফল্য কামনা করি।

এখনও পর্যন্ত অলিম্পিক্স টেনিসে আমেরিকার পদক সংখ্যা ৩৯। যার মধ্যে ২১টি সোনা। সোনা জয়ীদের তালিকায় শীর্ষে আছেন উইলিয়ামস বোনেরা। দুজনেই চারটি করে সোনা জিতেছেন। আমেরিকার হয়ে সোনা এবং রূপো মিলিয়ে পদকের বিচারে সর্বোচ্চ পদক জয় করেছেন ভেনাস উইলিয়ামস।

- with inputs from IANS

SUPPORT PEOPLE'S REPORTER

ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন

logo
People's Reporter
www.peoplesreporter.in