সৌরভ গাঙ্গুলির নিরাপত্তা কাটছাঁট করল বিজেপি সরকার, Z ক্যাটেগরির বদলে Y ক্যাটাগরির নিরাপত্তা পাবেন

People's Reporter: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সৌরভ। মমতার সঙ্গে স্পেনে গিয়ে শালবনিতে কারখানা করার ঘোষণা করেন তিনি। সিএবি নির্বাচনে মমতা-ঘনিষ্ঠ শান্তনু বিশ্বাসের হস্তক্ষেপ নিয়ে নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
সৌরভ গাঙ্গুলি
সৌরভ গাঙ্গুলিফাইল ছবি
Published on

সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা কাটছাঁট করল নতুন রাজ্য সরকার। এত দিন তিনি ‘জেড ক্যাটেগরি’র নিরাপত্তা পেতেন। দু’ধাপ নামছে তাঁর নিরাপত্তার বহর। এবার থেকে ‘ওয়াই ক্যাটাগরি’র নিরাপত্তা পাবেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক তথা BCCI -এর প্রাক্তন সভাপতি সৌরভ।

প্রসঙ্গত, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ ছিলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। মমতার সঙ্গে স্পেনে গিয়ে শালবনিতে কারখানা করার ঘোষণা করেন তিনি। এছাড়া গত সিএবি নির্বাচনে মমতা-ঘনিষ্ঠ শান্তনু বিশ্বাসের হস্তক্ষেপ নিয়ে নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। যদিও রাজ্যে পালাবদলের পরে সৌরভ তাঁর বন্ধু সিএবির কোষাধ্যক্ষ সঞ্জয় দাসকে নতুন ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের সাথে সাক্ষাৎ করতে পাঠান। এছাড়া ইডেনে ম্যাচ চলাকালীন রাজ্যের নতুন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষকে সংবর্ধনাও দেন। আইপিএল ফাইনালে আইসিসি সভাপতি জয় শাহর সঙ্গেও তাঁকে দেখা যায়। তবুও সৌরভের নিরাপত্তা কমালো শুভেন্দু অধিকারীর সরকার।

জেড ক্যাটেগরিতে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকেন অন্তত ৩৫ জন। তার মধ্যে রাজ্য পুলিশের কমান্ডোও থাকেন। রাজ্য সরকারের ‘জেড ক্যাটেগরি’ নিরাপত্তা যারা পান, তাঁদের সঙ্গে পাইলট কারও থাকে। তবে ‘ওয়াই ক্যাটেগরি’তে তিন থেকে চার জন থাকেন নিরাপত্তার দায়িত্বে। তাঁদের মধ্যে দু’জন সশস্ত্র নিরাপত্তাকর্মী।

২০২৩ সালের মে মাসে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নত করার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। 'ওয়াই' ক্যাটাগরির নিরাপত্তা ‘জেড' ক্যাটাগরিতে উন্নীত করা হয়। ১৬ মে রাজ্য সরকার এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির উপর সম্ভাব্য হুমকির মাত্রার উপর ভিত্তি করে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন এই নিরাপত্তার ধরন ও পরিধি নির্ধারিন করে।

উল্লেখ্য, নিরাপত্তার মোট ছয়টি স্তর রয়েছে; এর মধ্যে 'জেড' ক্যাটাগরির অবস্থান কেবল ‘জেড+' এবং 'SPG' ক্যাটাগরির ঠিক নীচেই। 'SPG' ক্যাটাগরি হল নিরাপত্তার সর্বোচ্চ স্তর, যা একান্তভাবেই ভারতের প্রধানমন্ত্রীর জন্য সংরক্ষিত। 

SUPPORT PEOPLE'S REPORTER

ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন

logo
People's Reporter
www.peoplesreporter.in